আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি :পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া থেকে ফুলবাড়ী নতুন সড়ক
নির্মাণে নি¤œমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে বলে
অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর
(এলজিইডি) পার্বতীপুর তদারকে গাফিলাতির কারণে ঠিকাদার
সুযোগ পেয়েছে এবং সেই সাথে মিলেমিশে হরিলুটের
অভিযোগ উঠেছে।
দেশের উত্তরাঞ্চলে এবং বাংলাদেশের একমাত্র বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি।
এই কয়লাখনিটি হওয়ার পর উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ দিকে
পার্বতীপুর এলজিইডি কর্তৃক নির্মানকৃত রাস্তাটি গত
১০ বছর আগে কয়লা উত্তোলন করার কারণে তলিয়ে যায়। এর ফলে
হামিদপুর ইউনিয়নের প্রায় ৫০ টি গ্রামের লোক বিপদে পড়ে।
স্থানীয় গ্রামবাসীদের আন্দোলনের পর বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি
কর্তৃকপক্ষ দক্ষিণ দিক বৈগ্রাম থেকে বৈদ্যনাথপুর উত্তর পর্যন্ত
৮০০ মিটার রাস্তা তাদের পরিত্যক্ত পাথর দিয়ে নতুন রাস্তা তৈরি করে
দেয়।
রাস্তাটি করার পর ৫০ টি গ্রামের সাধারণ মানুষ ঐ রাস্তা দিয়ে
চলাচল করতে পারতো না। ফলে ভোগান্তিতে পরতে হয় সাধারণ
মানুষদেরকে। পরবর্তিতে ১ যুগ পর এই ৮০০ মিটার রাস্তা পূর্ণ
নির্মাণের জন্য পার্বতীপুর এলজিইডি কর্তৃক টেন্ডার
আহ্বান করেন। টেন্ডার করার পর কাজটি পান গাইবান্ধা জেলার
মের্সাস নজল ট্রেডার্স । প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে
রাস্তাটি নির্মাণ করা শুরু হয়। কিন্তু ঠিকাদার নি¤œ মানের
ইট দিয়ে কাজ শুরু করে, এতে স্থানীয় জনগণ বাঁধা দেন।
জনগণের দাবি সিডিউল মোতাবেক রাস্তার কাজটি নির্মাণ
করতে হবে। ঠিকাদার জনগণের বাঁধার মুখে কাজ বন্ধ করে দেন।
পরবর্তিতে অদৃশ্য শক্তি ব্যবহার করে ঠিকাদার পুণরায় আবার কাজ
শুরু করেন।
এ বিষয়ে পাবর্তীপুর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) এর মোঃ
মানিক মিয়ার সাথে গতকাল বৃহস্পতিবার মোবাইল ফোনে
যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। অপরদিকে
স্থানীয় মোঃ সাগির ইসলাম, মোঃ সোলায়মানসহ স্থানীয়
শতাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা প্রকৌশলীর যোগ
সাজশে ৮০০ মিটার রাস্তার কাজ নি¤œ মানের করা হচ্ছে । বিষয়
তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এ ব্যাপারে
স্থানীয় সাধারণ জনগণ বিষয়টি এলজিইডি প্রধান
প্রকৌশলী আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।




