Home » » কিশোরগঞ্জে স্বপ্নের ফসল বোরো ধানে পাতা পোড়া আর ব্লাস্ট রোগ দিশাহারা কৃষক

কিশোরগঞ্জে স্বপ্নের ফসল বোরো ধানে পাতা পোড়া আর ব্লাস্ট রোগ দিশাহারা কৃষক

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 28 April, 2021 | 12:01:00 PM

মিজানুর রহমান,কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওয়েব : নীলফামারী কিশোরগঞ্জ উপজেলার কৃষকের ধানী ফসল সোনালি স্বপ্নের ধান পাকতে শুরু করেছে। লাভের আশায় বাম্পার ফলনে ভরে উঠেছিল কৃষকের বুক। কিন্তু সেই আশায় এখন গুড়ে বালি। সেই আশাবাদী ফসলে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে নেক ব্লাস্ট, পাতা পোড়া ও শীষে এক প্রকার রোগ। যা কৃষককে ভাবিয়ে তুলেছে। কীটনাশক প্রয়োগ করেও কোন লাভ না হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা। 
সম্প্রতি বোরো ধানের শীষ বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কৃষকদের মন ভরে উঠে। কয়েকদিন পরই কৃষকরা বোরো ধান ঘরে তুলবেন এ প্রত্যাশা সবার। কিন্তু তাদের সে স্বপ্ন এখন ভেস্তে যেতে বসেছে। ফলন বিপর্যয়ে শূন্য গোলা পড়ে থাকার শঙ্কায় অনেক কৃষক পরিবারে হাহাকার। নষ্ট বোরো ক্ষেতগুলো দূর থেকে দেখলে মনে হয় ধান পেকে গেছে। কিন্তু কাছে গিয়ে দেখা যায় এখনো কাচাঁ ধান। ধানের পরিপক্কতা আসার আগেই ধানের শীষ শুকিয়ে সোনালী রং ধারণ করেছে। মনে হয় ধানগুলো পেকেছে। আদৌ তা নয়। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, চলতি বছর ১১হাজার ১৩০হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সদর ইউপি’র বাজেডুমুরিয়া গ্রামের দয়াল এবার ৮ বিঘা জমিতে ধান আবাদ করেছেন, মিন্টু করেছেন ২ বিঘা । তাদের অভিযোগ ধান রোপনের পর থেকে এ অদ্যাবধি কৃষি পরামর্শ তো দূরের কথা কৃষি অফিসার কে দু’চোখে দেখার কোন সৌভাগ্য হয়নি। পাড়ার ময়মুরুব্বি আর কীটনাশক ব্যবসায়ীদের পরামর্শে আক্রান্ত ধানক্ষেতে কীটনাশক প্রয়োগ করা হচ্ছে। কিন্তু কীটনাশকেও কোন কাজ হচ্ছে না। অনেকে কীটনাশক ব্যবসায়ীর কাছে প্রতারিত হচ্ছেন। বড়ভিটা মেলাবর গ্রামের কৃষক মোজাফফর জানান, ৬বিঘা জমির মধ্যে ৪ বিঘা জমির ধান ব্লাস্ট, পাতা পোড়া রোগে আক্রান্ত হয়ে চিটায় পরিণত হয়েছে। কীটনাশক ব্যবহার করেও কোন লাভ হয়নি। 
বড়ভিটা বড়ডুমুরিয়া কামার পাড়া গ্রামের কৃষক ভ’পেন জানান, আমাদের দোলায় ব্যাপকহারে পাতা পোড়া, ব্লাস্ট রোগ দেখা দিয়েছে। ২/১দিন পর পর বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক ক্রয় করতে গিয়ে নাজেহাল হয়ে পড়েছি। হাই পাওয়ার কীটনাশক দিয়েও কোন কাজ হচ্ছে না। 
 এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার হাবিবুর রহমান জানান,প্রথম দিকে এ রোগের ব্যাপক আকার ধারন করলেও এখন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।