Home » , , » চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেলপথে বাংলাদেশের ট্রায়াল ইঞ্জিন

চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেলপথে বাংলাদেশের ট্রায়াল ইঞ্জিন

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 27 October, 2020 | 7:44:00 PM

জুয়েল বসুনীয়া,চিলাহাটি ওয়েব : চিলাহাটি-হলদিবাড়ি সীমান্তে তারকাটা বেড়ার দুইধারে এপার বাংলা ওপার বাংলার শত শত উৎসুক মানুষের ঢলনামে। কখন আসবে দীর্ঘদিনের ¯^প্নপুরনের ট্রায়াল রানের বাংলাদেশের রেল ইঞ্জিন। মঙ্গলবার সকাল ১২টা চিলাহাটি রেলস্টেশন থেকে হুইসেল বাজিয়ে ছুটে আসে হলদিবাড়ি জিরো পয়েন্টে ট্রায়াল রানের রেল ইঞ্জিনটি। ৫৬ বছর পর এই রেলপথকে পূর্ণজ্জীবিত করতে রেলওয়ের ইঞ্জিন চালাতে দেখে সীমান্তে দুই বাংলার জনতা আনন্দ উল্লাসে আতœহারা হয়ে উঠেছিল। ভারত আনুষ্ঠানিক ভাবে গত ৮ অক্টেবর হলদিবাড়ি রেলস্টেশন থেকে বাংলাদেশের সীমানা পর্যন্ত তাদের রেল ইঞ্জিন ট্রায়াল রান শেষ করেছে।
১৯৬৫ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়া এই রুটে এখন আনুষ্ঠানিক ভাবে নিয়মিত আন্তর্জাতিক ট্রেনের হুইসেল বাজার অপেক্ষা। ট্রায়াল রানের নেতৃত্বে ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান চৌধুরী, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী ডিবিশনের প্রকৌশলী-২ প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রহীম, ৫৬ বিজিবির কমাণ্ডার মামুনুল হক, পশ্চিমাঞ্চল রেলের বিভাগীয় বানিজ্যিক কর্মকর্তা আনন্দ মোহন চক্রবর্তী, বিভাগীয় প্রধান প্রকৌশলী আল ফাত্তাহ মোহাম্মদ মাসুদর রহমান, বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক সহিদুল ইসলাম, বিভাগীয় সিগন্যাল ও টেলিকম প্রকৌশলী রূবাইয়াত শরীফ, প্রধান পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান উদ্দিন প্রমুখ। বাংলাদেশের রেল ইঞ্জিনটি ভারতের সীমানা পর্যন্ত এসে দাঁড়িয়ে যায়। এ সময় প্রতিনিধিদের ¯^াগত জানান ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রেলওয়ের প্রধান প্রকৌশলী প্রবীণ কুমার দে, উপ-প্রধান প্রকৌশলী ভিকে মিনা, সিনিয়র মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার বিপ্লব ঘোষ প্রমুখ।
আগামী ১৬ ডিসেম্বর দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরে চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেলপথে রেলগাড়ি চালাবে বলে দুই দেশের কর্মকর্তারা জানান।চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেলপথটিকে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে যোগাযোগ এবং ব্যবসা-বান্ধব রেলপথ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।এই ট্রেন রুট বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও মংলা সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে ভারতের পাশাপাশি নেপাল, ভুটান মালামাল পরিবহন করতে পারবে। ফলে নেপাল ও ভুটানের সঙ্গেও এই পথে আমদানি রপ্তানি অনেক সহজ হবে।