Home » » কিশোরগঞ্জে য়ৌতুকের কাছে হেরে গেলেন ওমেনা খাতুন

কিশোরগঞ্জে য়ৌতুকের কাছে হেরে গেলেন ওমেনা খাতুন

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 20 August, 2020 | 11:53:00 PM

মিজানুর রহমান,কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী)প্রতিনি,চিলাহাটি ওয়েব ধিঃ নীলফামারীর, কিশোরগঞ্জে যৌতুকের কাছে হেরে গেলেন ওমেনা খাতুন (২০) । গতকাল বুধবার রাতে রণচন্ডী ইউনিয়নের সোনাখুলি গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। ওই দিন রাতে নিহতের বাবা আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় ৩ জনকে আসামী করে কিশোরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। প্রথমে আত্মহত্যার প্ররোচনা চালায় স্বামী, শ্বশুড় ও শাশুড়ি পরে আত্মহত্যার বিষয়টি সন্দেহ হলে রাতে তাদেরকে আটক করে থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ওই গৃহবধুর স্বামী আল আমীন, শ্বশুর জহুরুল মিয়া, এবং শাশুড়ি ওসনা বেগম জানা গেছে, গত ১৬ মাস আগে রণচন্ডী ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের আয়নাল হকের মেয়ে ওমেনা বেগমের সাথে একই ইউনিয়নের সোনাখুলি গ্রামের জহুরুল হকের ছেলে আলামিনের সাথে বিবাহ হয়। নিহত ওমেনা বেগম গত ২৬ দিন আগে একটি ফুটফুটে পুত্র সন্তান জন্ম দেন। নিহত ওমেনা খাতুনের বাবা আয়নাল হক অভিযোগ করে বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ১১ টার দিকে এলাকাবাসীর কাছ থেকে মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে জামাতার বাড়িতে এসে জামাই আল আমীন ও তার মা ওশনা বেগমকে না পেয়ে আমার সন্দেহ হলে, পুলিশকে খবর দেই। পরে পুলিশ এসে বুধবার ভোরে মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, মেয়ের বিয়ের সময় যৌতুকের দাবির ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করি। পরবর্তীতে আরও ৫০ হাজার টাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন মেয়েটির শশুর পরিবার । টাকা না পেয়ে বিভিন্ন সময়ে জামাতা , শ্বশুর ও শাশুড়ি মিলে আমার মেয়ের ওপর শারিরীক ও মানষিক নির্যাতন চালায়। সর্বশেষ বুধবার রাতে জামাতার পরিবার আমার মেয়েকে পিটিয়ে হত্যার পর মরদেহ ঝুলিয়ে রেখে আত্নহত্যার প্ররোচনা চালায়। আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই। কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবদুল আউয়াল জানান, আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় তাদেরকে আটক করা হয়েছে। ওই দিন রাতে গৃহবধু ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য আজ বৃহস্পতিবার নীলফামারী মর্গে পাঠানো হয়েছে। মোঃ মিজানুর রহমান