Home » » বদরগঞ্জে গণধর্ষনের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

বদরগঞ্জে গণধর্ষনের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 05 July, 2020 | 5:00:00 PM

আকাশ রহমান,বদরগঞ্জ প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওয়েব : লালমনিরহাট জেলার এক তরুনী রংপুরের বদরগঞ্জে বড় ভাইকে খুঁজতে এসে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। ঘটনার পর বদরগঞ্জ থানা পুলিশ ধর্ষিতাকে উদ্ধার করলেও অজ্ঞাত কারণে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নেয়নি। যার ফলে একটি প্রভাবশালী মহল পুলিশ প্রশাসানকে ম্যানেজ করে ধর্ষণের ঘটনাটি ধাপাচাপা দে1ওয়ার চেষ্টা করায় এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা জায়, লালমনিহাট জেলার সাপ্টিবাড়ী হারাটি গ্রামের আব্দুল মান্নানের তরুনী মেয়ে গত ২৩ জুন রাত ১০টায় বদরগঞ্জ সীমান্তে খোলাহাটি চুতরির মোড় নামক স্থানে বড় ভাইকে খুঁজতে এসেছিল। এ সময় মেয়েটিকে একাকী পেয়ে বদরগঞ্জ উপজেলার রামনাথপুর ইউনিয়নের পাঠানপাড়া গ্রামের মনির পাঠানের ছেলে জসিম মিয়া, বটপাড়ার খতিবরের ছেলে সোহাগ মিয়া, সরদারপাড়ার মৃত আজগার আলীর ছেলে হযরত আলী, পাঠানপাড়ার মোবাশে^রের ছেলে পারভেজ, বটপাড়ার বুলু সরদারের ছেলে সুমন, জোনাব আলীর ছেলে নুরুন্নবী ও নুর মোহাম্মেদের বখাটে ছেলে মিজানুর রহমান মেয়েটিকে ফুসলিয়ে খোলাহাটি শ^শানের পাশের্^ নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে। পরে মেয়েটির আত্মচিৎকারে আশেপাশের লোকজন গ্রাম পুলিশে সহযোগীতায় তাকে উদ্ধার করে থানায় খবর দেয়।
পরদিন থানা পুলিশ গোলাম হোসেন নামে এক ব্যক্তির বাড়ী থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। কিন্তু পুলিশ নির্যাতিত মেয়েটির মুখ জবানী শুনে আসামীদের চিহ্নিত করার পরেও অজ্ঞাত কারণে অভিযোগ গ্রহণ না করে তাকে তার অভিভাবকদের হাতে তুলে দেন। এদিকে একটি প্রভাবশালী মহল পুলিশ প্রশাসনকে ম্যানেজ করে পুরো ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে এলাকাবাসী পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ঘটনার পর মেয়েটি পুলিশ এবং সাংবাদিকদের কাছে জসিম, সোহাগ ও হযরত আলী নামে তিনজন ধর্ষকের নাম প্রকাশ করেছে। পুলিশ ইচ্ছে করলে তাদের গ্রেফতার করে বাকি আসামীদেরকেও চিহ্নিত করতে পারেন। অথচ, তা না করে পুলিশ পুরো বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে অপরাধীদের পক্ষে সাফাই গাইছেন। তবে বদরগঞ্জ থানার ওসি হাবিুর রহমান হাওলাদার বলেন, সেদিন মেয়েটির অভিভাবক থানায় অভিযোগ না করেই তাড়াহুড়ো করে চলে গেছেন। আমরা এখনো তাদের অভিযোগ পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
অন্যদিকে  রবিবার মেয়েটির চাচা মোঃ মাহফুজার রহমান মোবাইল ফোনে বলেন, আমার ভাতিজির অসুস্থার কারণে তাৎক্ষণিক আমরা অভিযোগ করতে পারিনি। আমরা ইতিমধ্যে সকল আসামীর সঠিক নাম ঠিকানা সংগ্রহ করেছি, এখন থানায় ধর্ষণের অভিযোগ করা হবে। আমরা অপরাধীদের শাস্তি চাই।