Home » » ঠাকুরগাঁওয়ে ইজিবাইক শ্রমিকদের পৌরসভা ঘেরাও পৌর মেয়রের কুশ পুত্তলিকা দাহ

ঠাকুরগাঁওয়ে ইজিবাইক শ্রমিকদের পৌরসভা ঘেরাও পৌর মেয়রের কুশ পুত্তলিকা দাহ

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 23 June, 2020 | 10:55:00 PM

মাহমুদ আহসান হাবিব,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওয়েব : ইজিবাইক শ্রমিকদের উপর পৌর টোলের নামে চাঁদাবাজি ও ইজিবাইক শ্রমিকদের উপর সকল প্রকার নির্যাতন বন্ধের দাবিতে পৌরসভা ঘেরাও করেছে ইজিবাইক শ্রমিকরা। এসময় পৌর মেয়র মির্জা ফয়সল আমিনের কুশ পুত্তলিকা দাহ করে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে ঠাকুরগাঁও ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের ব্যানারে শহরের চৌরাস্তায় বিক্ষোভ কর্মসূচীর অংশ হিসেবে পৌরসভা ঘেরাও কর্মসূচী পালন করেছে স্থানীয় ইজিবাইক শ্রমিকরা। পৌর টোলের নামে চাঁদাবাজি বন্ধের গর্জনে এ সময় উত্তাল হতে থাকে ঠাকুরগাঁও শহর। বিক্ষোভ কর্মসূচীর অংশ হিসেবে পৌরসভা ঘেরাও কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: মনসুরআলী, ঠাকুরগাঁও ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাহাবুব আলম রুবেল, সাধারণ সম্পাদক আবু আসলাম সহ অন্যান্য ইজিবাইক শ্রমিকগণ। বক্তারা বলেন, এই করোনাকালে সারা দেশের শ্রমিকদের মত ঠাকুরগাঁয়ের ইজিবাইক শ্রমিকরাও চরম অভাব দুর্দসার মধ্যে দিনতিপাত করছে । দুই মাস লকডাউনে গাড়ি চালাতে না পেরে ব্যাটারি ড্যামেজ হয়েছে , ঋণ করে সংসার চালাতে গিয়ে ঋণ গ্রস্থ হয়েছে । এখন কিছুটা যানবাহন চলাচল করলেও আয় অর্ধেকে নেমে এসেছে । তারপর আবার এনজিও’র ঋণের কিস্তির টাকা দিতে না পারায় পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে । এই রকম অবস্থায় যখন শ্রমিকদের খেয়ে বাঁচাটা কঠিন হয়ে পড়েছে তখন ঠাকুরগাঁও পৌরসভা আবার নতুন করে এই অর্থবছরে ২০২০-২০২১ ইজিবাইকে টোল ধার্য করেছে । অথচ ইজিবাইক শ্রমিকরা গত এক বছর ধরে টোল বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছে । শ্রমিকদের দাবির সাথে একমত পোষণ করে পৌর মেয়র টোল বন্ধের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে মেয়র শ্রমিকদের সাথে প্রতারণা করেছে টোল ইজারার ডাক দিয়েছেন। এই টোল ইজারায় যতটানা পৌরসভা আয় করে তার থেকে ৫০ গুন বেশী আয় করে টোল আদায়কারীরা। গত অর্থবছর ২০১৯-২০২০ সালে পৌরসভা ৪ লক্ষ টাকায় ইজারা দিয়েছিল আরআদায়কারী আয় করেছিল প্রায় ২ কোটি টাকা । অন্যদিকে ইজিবাইক শ্রমিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল টোল বন্ধ করে লাইসেন্সের সংখ্যা বৃদ্ধি করা । এখন পৌরসভা লাইসেন্স ও টোলইজারা বাবদ প্রায় ১৭ -১৮ লক্ষ টাকা আয় করে অথচ সমপরিমাণ টাকা পৌরসভা বর্তমান লাইসেন্সের সংখ্যা দুই হাজার থেকে তিন হাজারে উন্নিত করতে পারলেই আয় করতে পারে । তাহলে এই টোল কেন ? কার সার্থে ? এ সসময় পৌর টোলের নামে চাঁদা বাজি বন্ধ না হলে এই ইজিবাইক শ্রমিকদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে হুশিয়ারি আসে কর্মসূচী থেকে।