Home » » বিশুদ্ধ ক্লাসিকাল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শাস্ত্রের দর্শনে মহামারী “করোনা ভাইরাস” ও চিকিৎসা

বিশুদ্ধ ক্লাসিকাল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শাস্ত্রের দর্শনে মহামারী “করোনা ভাইরাস” ও চিকিৎসা

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 01 June, 2020 | 10:44:00 PM

॥ ডা: মিথুন টিকাদার ॥
 বর্তমানে এক আতঙ্কিত মহামারীর ভাইরাসের নাম “করোনা ভাইরাস” (COVID-19)। করোনাভাইরাস রাইবোভিরিয়া পর্বের নিদুভাইরাস বর্গের করোনাভিরিডি গোত্রের অর্থোকরোনাভিরিন্যা উপ-গোত্রের সদস্য।তারা পজিটিভ সেন্স একক সূত্রবিশিষ্ট আবরণীবদ্ধ বা এনভেলপড ভাইরাস। তাদের নিউক্লিওক্যাপসিড সর্পিলাকৃতির। এর জিনোমের আকার সাধারণত ২৭ থেকে ৩৪ কিলো বেস-পেয়ার (kilo base-pair)  এর মধ্যে হয়ে থাকে যা এ ধরনের আরএনএ ভাইরাসের মধ্যে সর্ববৃহৎ। করোনাভাইরাস শব্দটি ল্যাটিন ভাষার করোনা থেকে নেওয়া হয়েছে যার অর্থ “মুকুট”। কারণ দ্বিমাত্রিক সঞ্চালন ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রে ভাইরাসটির আবরণ থেকে গদা-আকৃতির প্রোটিনের কাঁটাগুলির কারণে এটিকে অনেকটা মুকুট বা সৌর করোনার মত দেখায়। ভাইরাসের উপরিভাগ প্রোটিন সমৃদ্ধ থাকে যা ভাইরাল স্পাইক পেপলোমার দ্বারা এর অঙ্গসংস্থান গঠন করে। এ প্রোটিন সংক্রমিত হওয়া টিস্যু বিনষ্ট করে। ভাইরাসটি ডাইমরফিজম রূপ প্রকাশ করে। ধারনা করা হয়, প্রাণীর দেহ থেকে এই ভাইরাস প্রথম মানবদেহে প্রবেশ করে ।
করোনাভাইরাস ১৯৬০-এর দশকে প্রথম আবিষ্কৃত হয়। প্রথমদিকে মুরগির মধ্যে সংক্রামক ব্রঙ্কাইটিস ভাইরাস হিসেবে এটি প্রথম দেখা যায়। পরে সাধারণ সর্দি-হাঁচি-কাশিতে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে এরকম দুই ধরনের ভাইরাস পাওয়া যায়। মানুষের মধ্যে পাওয়া ভাইরাস দুটি ‘মনুষ্য করোনাভাইরাস ২২৯ই’ এবং ‘মনুষ্য করোনাভাইরাস ওসি৪৩’ নামে নামকরণ করা হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় ভাইরাসটির আরো বেশ কিছু প্রজাতি পাওয়া যায় যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ২০০৩ সালে ‘এসএআরএস-সিওভি’, ২০০৪ সালে ‘এইচসিওভি এনএল৬৩’, ২০০৫ সালে ‘এইচকেইউ১’, ২০১২ সালে ‘এমইআরএস-সিওভি’ এবং সর্বশেষ ২০১৯ সাল চীনে এসএআরএস-সিওভি-২’ পাওয়া যায় (যা বর্তমানে সাধারণত নোভেল করোনাভাইরাস নামেই পরিচিত। (২০১৯-২০২০) ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে করোনাভাইরাসের একটি প্রজাতির সংক্রামণ দেখা দেয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ভাইরাসটিকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ‘২০১৯-এনসিওভি’ নামকরণ করে। এগুলোর মধ্যে অধিকাংশ ভাইরাসের ফলে শ্বাসকষ্টের গুরুতর সংক্রমণ দেখা দেয়। হাঁচি ও কাশির মাধ্যমে সৃষ্ট পানিকণার ফলে আক্রান্তর সংস্পর্শে অপর ব্যক্তি আক্রান্ত হতে পারে। করোনাভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনের সাথে আক্রমণের শিকার হতে যাওয়ার কোষের হোস্ট কোষের গ্রাহকপ্রান্তের মিথস্ক্রিয়াই টিস্যু ট্রপিজম, সংক্রাম্যতা এবং প্রজাতির ব্যাপ্তি ইত্যাদি। উদাহরণস্বরূপ, সার্স করোনাভাইরাস অ্যাঞ্জিওটেনসিন-রূপান্তরিত এনজাইম ২ (এসিই ২) মানবকোষে সংযুক্তির মাধ্যমে সংক্রামণ ঘটায় । করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির প্রাথমিক লক্ষণ সমূহ :-
জ্বর,অবসাদ,শুষ্ককাশি,বমিহওয়া,শ্বাসকষ্ট,গলা ব্যাথা,অঙ্গ বিকল হওয়া,মাথা ব্যাথা, পেটের সমস্যা ইত্যাদি। কিছু রোগীর ক্ষেত্রে উপরোক্ত সকল উপসর্গ দেখা গেলেও জ্বর থাকেনা। ক্ষতির সম্ভাবনার দিক থেকে করোনাভাইরাস বেশ বৈচিত্র্যময়।করোনাভাইরাস ঠা-ার পাশাপাশি বড় ধরণের কিছু উপসর্গ সৃষ্টি করে, যেমন জ্বর, ফুলে যাওয়া অ্যাডিনয়েডের ফলে গলা ব্যথা। এগুলো সাধারণত শীতকালে এবং বসন্ত ঋতুর শুরুর দিকে হয়। করোনাভাইরাস নিউমোনিয়া ঘটাতে পারে (সরাসরিভাবে ভাইরাসজনিত নিউমোনিয়া অথবা পরোক্ষভাবে ব্যাকটেরিয়াজনিত নিউমোনিয়া) এবং ব্রঙ্কাইটিসের (সরাসরিভাবে ভাইরাসজনিত ব্রঙ্কাইটিস অথবা পরোক্ষভাবে ব্যাকটেরিয়াজনিত ব্রঙ্কাইটিস)। এই ভাইরাস একইসাথে সিভিয়ার এ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম (সার্স) এবং উর্ধ্ব এবং নিম্ন শ্বাসনালী সংক্রমণ ঘটায়। গুরুতর তীব্র শ্বাসযন্ত্রীয় রোগলক্ষণসমষ্টি সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাস ২ (ইংরেজি: Severe acute respiratory syndrome coronavirus 2) বা সংক্ষেপে সার্স-কোভ-২ (SARS-CoV-2),  এটি একটি ধনাত্মক দিকমুখী একক-সূত্রবিশিষ্ট আরএনএ ভাইরাস। এটি মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমিত হয়ে একটি রোগের সৃষ্টি করে, যার নাম করোনাভাইরাস রোগ ২০১৯। এই ভাইরাসঘটিত রোগটি ২০২০ সালে চলমান একটি বৈশ্বিক মহামারীর সৃষ্টি করেছে। 
 বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)- এর মতে সারা বিশ্বের বিজ্ঞানী ও গবেষক গন প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের জন্য, কিন্তু সার্স কোভ-২ (করোনাভাইরাস)- এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে রূপ ও জিন পরিবর্তন করা। অন্যান্য দেশে এ ভাইরাস অসংখ্যবার রূপ পরিবর্তন করেছে। এতে দিন দিন তা জটিল আকার ধারণ করছে। ফলে এ রোগের ভ্যাকসিন তৈরী কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। এমতাবস্থায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO)- বলেছেন যে, এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে এই ভাইরাস হতে মুক্তি ও প্রতিরোধের একটি পথ খোলা আছে তা হলো, আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করা এবং পাশাপাশি রোগীর লক্ষণ ভিত্তিক চিকিৎসা প্রদান। এরই নিমিত্তে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে স্বাস্থ্য বিধি মেনে (হাইজিন মেনটেন) করে, খাদ্যে তালিকায় ভিটামিন ‘সি’ যুক্ত ফলমূল ও শাকসবজি যোগ করে, জনসমাগম এড়িয়ে, মুখে মাস্ক ব্যবহার করে, সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে, জীবাণু নাশক দ্বারা হাত ধুয়ে, গরম পানি ব্যবহার করে, ইত্যাদি স্বাস্থ্য সম্মত উপায় অবলম্বন করে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বৃদ্ধির পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। 
মানব সমাজ যখন প্রকৃতির বিরুদ্ধাচরণ করে তখন, প্রকৃতি এর বিরূপ প্রভাব কিভাবে মানব সমাজের উপর বিস্তার লাভ করে? হোমিওপ্যাথি দর্শন মতে এর ব্যাখ্যা:-
সৃষ্টিকর্তার যে শক্তির প্রভাবে এই বিশ্বরাজ্যে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তাকে উপেক্ষা করে মানুষ যেদিন হতে নিজ নিজ কর্মধারার মধ্য দিয়ে শান্তি ও স্বাধীনতার আস্বাদ পাবার আশায় যাত্রা আরম্ভ করেছে, সেদিন হতে মানবজাতীর বিশ্বনিয়ন্তার সুনিয়ন্ত্রিত শৃঙ্খলা হতে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পড়েছে এবং এর ফল সরূপে নিজ নিজ জীবন যাত্রার মধ্যে বিশৃঙ্খলা উগ্র বাসনা এসে মানব সমাজের সমস্ত শান্তি অপহরণ করে ঘোরতর অনিষ্ট সৃষ্টি করেছে ও স্রষ্টা  শক্তির ক্রমবিকাশে ঐ একমুখী গতির পথ বহুলাংশে রুদ্ধ করতে বসেছে। এইরূপে মানবজাতী স্বকৃত উচ্ছৃঙ্খলতায় নিজের সর্বনাশ সাধন করে নিজ নিজ দেহযন্ত্রকে শত রোগের আবাসভূমিতে পরিণত করেছে। তাই সম্পূর্ণ সুস্থ ব্যক্তি আজকাল নিতান্ত বিরল। বর্তমান সমাজে মনুষের দেহযন্ত্র এতই শোচনীয় অবস্থা প্রাপ্ত হয়েছে এবং এই অবস্থা ক্রমেই জটিল হতে জটিলতর হয়ে উঠছে যে, নির্মল মন ও নির্দোষ দেহ এক প্রকার অলীক বস্তু। এর ফলেই মনুষের দেহ নানাপ্রকার ব্যাধীর আবাস ভূমিতে পরিণত হচ্ছে এবং জীবাণু ও ভাইরাস সমূহ মহামারীর আকারে দেখা দিচ্ছে। 
আজ তাহলে আমরা প্রকৃতির দ্বারস্থ, প্রকৃতি আমাদের রক্ষার একমাত্র পথ। তাহলে আসুন দেখাযাক এমতাবস্থায় বিশুদ্ধ ক্লাসিকাল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাশাস্ত্র ভাইরাস চিকিৎসায় কি রূপ ভুমিকা পালন করতে পারে ? (১) হোমিওপ্যাথিতে কি এই ভাইরাসের ঔষধ আবিষ্কার হয়েছে বা আছে ? না নেই বা আবিষ্কার হয়নি। (২) তাহলে হোমিওপ্যাথিতে কি ভাবে এই ভাইরাসের চিকিৎসা হবে ? “হোমিওপ্যাথিতে রোগ নয়, রোগীর চিকিৎসা করা হয়” এটাই আমাদের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নীতির প্রথম সোপান- হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শাস্ত্র মতে রোগী কোন ভাইরাস বা জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত এটা আমাদের কাছে মুখ্য বিষয় নয় বা রোগীর কি রোগ হয়েছে এটাও মূখ্য বিষয় নয়, আমাদের কাছে মূখ্য বিষয় রোগী নিজেই। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শাস্ত্র মতে যখন কোন ব্যক্তি বা জীব কোন না কোন কারণে প্রকৃতির নীতি লঙ্ঘন করে বা প্রকৃতির বিরুদ্ধাচরণ করে তখন উক্ত ব্যক্তি বা জীবের জীবনীশক্তি বিশৃঙ্খল রুপ ধারণ করে। জীবনী শক্তি বিশৃঙ্খল রূপ ধারণ করে তখন উক্ত জীব দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায় বা কমে যায় । রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে আমাদের শরীরের যেকোন ভাইরাস বা জীবাণু সংস্পর্শে আসুকনা কেন তখন উক্ত দেহ টি উক্ত ভাইরাস বা জীবাণুর জন্য উপযুক্ত আবাসভূমিতে পরিনত হয় এবং বংশবৃদ্ধি ও রোগ লক্ষণ প্রকাশের মধ্য দিয়ে উক্ত জীব বা মনুষ্য দেহকে রোগগ্রস্ত করে তোলে। 
সেক্ষেত্রে আমাদের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শাস্ত্রে রোগীর চারিত্রিক ও সর্বদৈহিক বৈশিষ্ট্যের সাথে হোমিওপ্যাথিক ঔষধের সাদৃশ্যতা অনুযায়ী হোমিওপ্যাথি ঔষধ রাজ্য হতে একটি সু-নিদিষ্ট ঔষধ নির্বাচন করে উক্ত রোগীকে প্রয়োগ করা হয় বা হবে। এতে করে আক্রান্ত রোগীর সাদৃশ্য ঔষধ টি তার বিশৃঙ্খল জীবনী শক্তিকে সু-শৃঙ্খল করবে, জীবনী শক্তি সু-শৃঙ্খল হলে উক্ত রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। আর, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে উক্ত রোগীর শরীরে যত প্রকার জীবাণু বা ভাইরাসের সংস্পর্শে আসুকনা কেন তাতে করে রোগীর সবল জীবনী শক্তি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কাছে ভাইরাস ও জীবাণু পরাজিত হবে, যদি বর্তমান থেকে থাকে তাহলে তা দূরীভূত হবে এবং আগামীর জন্য উক্ত জীব দেহে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলবে।
তাহলে এ থেকে সুস্পষ্ট ভাবে বোঝা যাচ্ছে যে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা একটি লক্ষণ ভিত্তিক প্রাকৃতিক ও প্রকৃতি নির্ভর চিকিৎসা ব্যবস্থা। সেক্ষেত্রে আপনাদের সকলের কাছে আমার জিজ্ঞাসা রইল যে, করোনা(COVID-19)-  মহামারীর এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থা করোনা আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রাকৃতিক ভাবে লক্ষণ ভিত্তিক চিকিৎসা প্রদানে কি রূপ ভুমিকা পালন করবে! 
এবার আসা যাক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাশাস্ত্র মতে প্রতিষেধক ঔষধ নির্বাচন কৌশল:- যখন কোন রোগ মহামারীর আকারে দেখা দেয় তখন আক্রান্ত রোগীগণ কোন না কোন উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয় বা মৃত্যু বরণ করে। সেই সময় আমরা যে বিষয়টি সূক্ষ্ম ভাবে অবলোকন করি তা হলো যে, আমাদের হোমিওপ্যাথি ঔষধের রাজ্য হতে কোন ঔষধটির লক্ষণ সমষ্টি নিয়ে সাদৃশ্য মতে সবচেয়ে বেশী সংখ্যক মানুষ বা জীব আক্রান্ত হচ্ছে এবং লক্ষণ প্রকাশ পাচ্ছে? তাতে করে যে ঔষধের লক্ষণ সমষ্টি নিয়ে বেশী রোগী আক্রান্ত হচ্ছে এবং মৃত্যু বরণ করছে, সেই সময় উক্ত মহামারীর রোগের জন্য ঐ ঔষধটিকেই প্রতিষেধক হিসেবে নির্বাচন করা হয় এবং সকলকে প্রয়োগ করা হয়। যেমন এবারের করোনা (COVID-19)- এর মহামারীতে আমাদের পার্শবর্তী দেশ ভারতের আয়ুস মন্ত্রনালয় এবং বাংলাদেশর হোমিওপ্যাথি বোর্ড হতে নির্বাচিত ঔষধ “আর্সেনিক এ্যালবাম”।এই পদ্ধতিতে যুগে যুগে আমাদের এই প্রকৃতি নির্ভর বিশুদ্ধ ক্লাসিকাল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শাস্ত্র ব্যাপক সাফল্যের নজীর রেখেছে যা ইতিহাসে অক্ষত।  
সর্বোপরি আমি বলতে চাই আমাদের কাছে আক্রান্ত রোগীর লক্ষণ সমষ্টি সবচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ। সে ক্ষেত্রে স্থান, কাল, পাত্র ভেদে ভিন্ন ঔষধ ও আসতে পারে এটাই সবচেয়ে নিগূঢ় সত্য। তাই যখন কোন আক্রান্ত রোগী একজন বিশুদ্ধ ক্লাসিকাল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হবেন, তখন উক্ত চিকিৎসক রোগীর পূর্ণাঙ্গ রোগী লিপি প্রস্তুত করে রোগীর সাথে ঔষধের সাদৃশ্যতা অনুযায়ী একটি সু- নিদিষ্ট ঔষধ নির্বাচন করে উক্ত রোগীকে প্রয়োগ করবেন।:- লেখক ও গবেষক:-ডা: মিথুন টিকাদার, ডি.এইস.এম. এস (ঢাকা),বিএ.জি.এড (কৃষিবিদ)সদস্য সচিব : বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি গবেষণা পরিষদ, রংপুর বিভাগ। প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি : হোমিওপ্যাথি দর্শন ও গবেষণা ফোরাম, পার্বতীপুর, দিনাজপুর।সদস্য ও নির্বাচিত চিকিৎসক : বাংলাদেশ জাতীয় করোনা প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ড ঢাকা (স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়)। যুগ্ম আহ্বায়ক : করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কল্পে “বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি গবেষণা পরিষদ”-এর কেন্দ্রীয় উপ কমিটি। ফোন : ০১৭৪৪৩২৮৭৫৩