Home » » কিশোরগঞ্জে দু’ বিয়াই’র সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত-৩২

কিশোরগঞ্জে দু’ বিয়াই’র সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত-৩২

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 08 May, 2020 | 11:45:00 PM

মিজানুর রহমান, কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী) প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওয়েব : নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় শুক্রবার সন্ধ্যায় ডাকবাংলোর সামনে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই বিয়াই’র সমর্থকদের সংঘর্ষে ৩২ ব্যক্তি আহত হয়েছে। এর মধ্যে ১৪জন গুরুতর আহতকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। 
 কিশোরগঞ্জ উপজেলার যুব সংহতির আহবায়ক ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম তার বিয়াই সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ আনছার আলীর সাথে পারিবারিক তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জ ডাকবাংলোর সামনে বচসা হয়। এ ঘটনার জের ধরে উভয় পক্ষের সমর্থকদের সংঘর্ষ বাঁধে। এতে ৩২ ব্যক্তি আহত হয়। আহতদের কিশোরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। 
এদের মধ্যে ১৪ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন- কিশোরগঞ্জ উপজেলা যুব সংহতির আহবায়ক ও সদর ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম (৪৫) তার ভাই শরিফুল ইসলাম (৫০) ও শফিকুল ইসলাম (৪০)। একই গ্রামের সোহরাব আলীর ছেলে গোলাম রব্বানী (৪২),মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে জামিনুর রহমান (৩৩), পুটিমারী ইউনিয়নের দিনেশ চন্দ্রের ছেলে শ্্রী তুষার (২৫), কেশবা গ্রামের মৃত আকরামের ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৫০),খবির উদ্দিনের ছেলে কামাল (৩০),আমিনুর রহমানের ছেলে বিপ্লব (৩৫), ছফর উদ্দিনের ছেলে দবির উদ্দিন (৫৫), আব্দুল্লাহর ছেলে মোরছালিন (২০), আব্দুর রশিদের ছেলে আব্দুল্লাহ (৩৫), আনছার আলীর মেয়ে আয়শা সিদ্দিকা মুক্তা (৩৫) ও আবতার হোসেনের ছেলে আবদার রহমান (৬০)। এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে মোঃ আনছার আলীর ৩য় ছেলে মোঃ রুবেল হোসেন (২৮) ও তার স্ত্রী রুপা আক্তারকে (২২) ঢাকায় তার কর্মস্থলে নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে মনমালিন্য হয়। 
এই বিষয়টি রুপা তার বাবা ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলামকে বিষয়টি জানায়। শ্বশুর রফিকুল ইসলাম তার জামাতা রুবেলকে ডেকে নিয়ে গালমন্দ করে। এক পর্যায়ে তার শ্বশুর তাকে মারার উদ্যত হলে জামাতা রুবেল হোসেন তার বাড়ীতে ছুটে গিয়ে পরিবারের লোকজনকে জানায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সন্ধ্যায় দু’বিয়াইর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। প্রায় ঘন্টা ব্যাপী এই সংঘর্ষ ঠেকাতে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশ চেষ্টা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এখনও ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন আছে। কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হারুন অর রশীদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,ঘটনাস্থলে পুলিশ অবস্থান করছে। পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।