Home » » ঠাকুরগাঁওয়ে রোদ-বৃষ্টিতে নষ্ট হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার

ঠাকুরগাঁওয়ে রোদ-বৃষ্টিতে নষ্ট হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 29 May, 2020 | 4:40:00 PM

মাহমুদ আহসান হাবিব,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওয়েব : দেশের উত্তরের দুটি জেলা ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়। কৃষিতে স্বনির্ভর এ দু’জেলার কৃষকের ফসল উৎপাদনে ইউরিয়া সার সরবরাহ করে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন। কিন্তু নিজস্ব ভবন না থাকায় ১৯৯৬ সাল থেকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার শিবগঞ্জ বিএডিসি’র সাড়ে ৭ হাজার মেট্রিকটন ধারণ ক্ষমতার একটি গুদাম নিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।
বর্তমানে কৃষকের চাহিদা বেশি হওয়ায় এবং গুদামের জায়গা অপ্রতুল হওয়ায় গুদামের বাইরেই ফেলে রাখা হয়েছে হাজার হাজার মেট্রিকটন সার। ফলে এসব বস্তা রোদ বৃস্টিতে ভিজে জমাট বাঁধছে সার। নষ্ট হচ্ছে সারের গুণগত মান। আর জমাট বাঁধা এসব সার কর্মচারির মাধ্যমে আবারো নতুন করে প্যাকেটজাত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তোভোগী কৃষকরা। জমাটবাঁধা সার দেয়া হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। যা জমিতে ব্যবহার করে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন প্রান্তিক কৃষকেরা।
কৃষকরা জানায়, জমাটবাঁধা এসব সার কিনতে কিছুতেই আগ্রহী নন তারা। বাকিতে দিতে চাইলেও কৃষকেরা এসব সার নিতে চাইছেন না। দীর্ঘদিন খোলা আকাশের নিচে পড়ে থাকার ফলে সার জমাট বেঁধে গেছে। সারের বস্তার গায়ে লেখা নিটওজনের চেয়ে ওজন কমে গেলে বুঝতে হবে, ওই সার থেকে নাইট্রোজেন বেরিয়ে গেছে। এমন জমাটবাধা ইউরিয়া সারের গুণগত মান বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ঠিক থাকেনা বলেও জানান কৃষকরা।
বাফার গুদাম এর উপ-ব্যবস্থাপক মো. গোলাম মোস্তফা জানান,নতুন গুদাম তৈরির জন্য ৬ একর জায়গা নেয়া হয়েছে। খুব দ্রুতই সেখানে ২০ হাজার মেট্রিক টনের ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন নতুন গুদাম করা হবে। সমস্যা সমাধানে নিজস্ব ভবন ও গুদামের কাজ দ্রুত শুরু হবে বলে কৃষকদের আশ^াস দেন তিনি।
উল্লেখ্য, বর্তমানে গুদামে মজুদ করার পরও বাহিরে খোলা আকাশের নিচে রাখা হয়েছে প্রায় ৬ হাজার মেট্রিকটন সার। দু’জেলায় ফসল উৎপাদনে বার্ষিক চাহিদা ৯০ হাজার মেট্রিকটন ইউরিয়া সার।