Home » » কিশোরগঞ্জে চলতি মৌসুমে ভুট্টার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

কিশোরগঞ্জে চলতি মৌসুমে ভুট্টার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 13 May, 2020 | 9:10:00 PM

মিজানুর রহমান,কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওয়েব : নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে চলতি মৌসুমে ভুট্টার বাম্পার ফলন হতে পারে এমনটাই আশা করছেন এলাকার চাষিরা। অনুকূল আবহাওয়া, রোগবালাই কম থাকার কারণে এবার ভুট্টার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বাড়তি খরচ কম আর বেশি লাভের কারণে কৃষকরা ভুট্টা চাষের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। আর কয়েক দিনের মধ্যে উপজেলার কোন কোন এলাকায় আগাম ভুট্টার জমিতে ভুট্টা উত্তোলন শুরু করবেন চাষিরা। ইতোমধ্যে কোন কোন জায়গায় ভুট্টা উত্তোলন ও সংরক্ষণের কাজ চলছে। গত বছর বাজারে ভুট্টার দামও বেশ ভালো পেয়েছেন তারা।
চলতি মৌসুমে ভালো দামের আশা করছেন চাষিরা। বর্তমানে ভুট্টা আবাদ চাষিদের প্রধান অর্থকরী ফসল হিসেবে দেখা যাচ্ছে। এ আবাদ করতে অধিক পরিশ্রম করতে হয় না, অল্প খরচে বেশি লাভ হয় এজন্য ভুট্টা চাষের দিকে ঝুঁকে পড়ছে চাষিরা। ভুট্টা খাদ্য হিসাবে ব্যবহারের পাশাপাশি ভুট্টার গাছ ও দানা ছাড়িয়ে নেওয়ার পর সেই অবশিষ্ট অংশ জ্বালানী হিসাবে ব্যাপক জনপ্রিয় লাভ করছে। সেই সাথে ভুট্টার গাছ ও কচিঁ পাতা গরু মোটাতাজাকরণে উৎকৃষ্ট খাদ্যে পরিণত হয়েছে। শহর থেকে গ্রাম অঞ্চলের অনেকেই স্বল্প মূল্যে ভুট্টার গাছ, কচি পাতা বাজার থেকে ক্রয় করে গরু মোটাতাজা করণে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।
হাটবাজারগুলোতে ভুট্টার গাছ, কচি পাতার কদর ও অনেক বেশি। উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের মধ্য এবারে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা আবাদ হয়েছে বাহাগিলী, নিতাই, কিশোরগঞ্জ, পুটিমারী ইউনিয়নে। ভুট্টা আবাদ সম্পর্কে কথা হয় বাহাগিলী ইউনিয়নের উত্তর দুরাকটি গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে শেরিফুর রহমানের সাথে তিনি বলেন, এবার ২০ বিঘা জমিতে ভুট্টা আবাদ করেছেন। এরই মধ্যে সব মিলে বিঘা প্রতি খরচ হয়েছে প্রায় ৭থেকে ৮ হাজার টাকা যা খরচ বাদে বিঘা প্রতি ৭থেকে ৮ হাজার টাকা লাভ করা যেতে পারে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার ভুট্টার দাম ভাল পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন তিনি। আর ভুট্টা আবাদ করে অনেক চাষী লাভবানও হচ্ছেন। 
একই গ্রামের চাষি এজাবুল হক লালবাবু বলেন এ ফসল বিক্রির সময় নগদ টাকা পাওয়া যায়। চাষ ও বিক্রি করতে কোন ঝামেলা হয় না, ফলে ভুট্টা চাষের দিকে ঝুঁকছি বেশি করে ।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, চলতি মৌসুমে ৩৩৫০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে উপসহকারী কৃষি অফিসাররা ভুট্টা চাষীদের সার্বক্ষনিক পরামর্শ দিয়ে আসতেছেন। ভুট্টা আবাদে রোগ বালাই নেই বললেই চলে, খরচের তুলনায় লাভ বেশি হওয়ায়, অন্যান্য ফসলের তুলনায় ভুট্টা চাষীরা লাভবান হচ্ছেন বেশি।