Home » » ডিমলায় পরকিয়ার জেরে স্ত্রীকে খুন!

ডিমলায় পরকিয়ার জেরে স্ত্রীকে খুন!

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 26 February, 2020 | 8:30:00 PM

মাজহারুল ইসলাম লিটন,ডিমলা প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওযেব : নীলফামারীর ডিমলায় পরকিয়া প্রেমের জেরে হ্যান্ডনোট লিখে রেখে স্ত্রীকে খুন করেছে স্বামী। নিহতের নাম মহেছেনা বেগম (৩৫)। সে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার পশ্চিম বালিঘাট গ্রামের মৃত শহর উল্লাহর পুত্র মোফাজ্জল হোসেন (মোফা)-এর দ্বিতীয় স্ত্রী।
আজ বুধবার দুপুরে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ছাতনাই বালাপাড়া (হোসেনের মোড়) গ্রাম থেকে নিহতের রক্তাত্ত লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।
নিহতের পরিবারের কাছে জানা গেছে, প্রায় ১৮ বছর আগে প্রেমের সূত্রে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার পশ্চিম বালিঘাট গ্রামের মৃত শহর উল্লাহর পুত্র মোফাজ্জল হোসেনের সাথে নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার ছাতনাই বালাপাড়া (হোসেনের মোড়) গ্রামের মৃত বানার উদ্দিনের তালাক প্রাপ্ত কন্যা মহেছেনা বেগম (৩৫)এর বিয়ে হয়। তাদের ঘরে ২টি কন্যা সন্তান রয়েছে। বিয়ের পরে প্রায়ই সময় নিহতের স্বামী জয়পুরহাট ও ঢাকা শহরে শ্রমিকের কাজের জন্য অবস্থান করতো।
নিহতের বড় ভাই-গোলাম মোস্তফা জানায়, এক সপ্তাহ আগে তার বোনের স্বামী মোফাজ্জল হোসেন বাড়িতে আসলেও বাড়িতে রাত না কাটিয়ে বাজারে অবস্থান করতো। এমতাবস্থায় মঙ্গলবার দিনগত রাতে সিদ কেটে ঘরে ঢুকে ধারাল ছোরা দিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় সে তার স্ত্রী মহেছেনাকে খুন করে পালিয়ে যায়।
এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, ঘটনাস্থল থেকে মোফাজ্জল হোসেনের হাতে লেখা একটি হ্যান্ড নোট উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। ওই হ্যান্ড নোটে তার স্ত্রীর সঙ্গে পরকিয়া জড়িত এক আওয়ামীলীগ নেতাসহ ৩ জনকে দায়ি করা হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকে ওই ৩জন গা ঢাকা দিয়েছে।
ডিমলা থানার এসআই আতিকুর রহমান বলেন, সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নীলফামারী মর্গে প্রেরণ করেছি। তবে সন্ধা পর্যন্ত কোন মামলা রজ্জু হয়নি। প্রাথমিক ভাবে একটি জিডি করা হয়েছে তবে মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনা স্থল থেকে উদ্ধারকৃত কথিত হ্যান্ড নোটে কি লেখা রয়েছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কি লেখা রয়েছে তা আমি জানি না সেটি ওসি স্যারের কাছে রয়েছে।
ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মফিজ উদ্দিন শেখ স্ত্রীকে খুনের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হ্যান্ড নোট বলতে একটি হাতে লেখা কাগজ পাওয়া গেছে, তবে এটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া কিছু বলা যাবে না। তবে খুনিকে গ্রেফতার করলেই সব জানা যাবে।