Home » » কিশোরগঞ্জে গরু মোটাতাজা করণ সরকারী প্রকল্পটি মুখথুবড়ে পড়েছে

কিশোরগঞ্জে গরু মোটাতাজা করণ সরকারী প্রকল্পটি মুখথুবড়ে পড়েছে

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 16 January, 2020 | 11:49:00 PM

মিজানুর রহমান, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওয়েব : নীফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় গরু মোটাতাজা করণ সরকারী প্রকল্পটি মুখথুবড়ে পড়েছে। ২০১২-১৩অর্থ বছরে সরাসরি প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ২২লাখ টাকায় ২২টি গরু ও একটি আধাপাকা গোয়াল ঘর নির্মান করে প্রকল্পটি শুরু করেছিল উপজেলা প্রশাসন। তদারকি এবং পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে প্রকল্পটির গোয়াল ঘরে এখন একটি গরুও নেই। সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়নের ঋষীপাড়ায় প্রায় এক একর খাস জমির উপর ঘাসের খামাড়, গোয়াল ঘর এবং রাখালের বাসস্থান নির্মান করে ২২টি বকনা ও এড়েঁগরু দিয়ে প্রকল্পের যাত্রা শুরু করেছিল। এসব গরু মোটাতাজা করনে দুজন রাখাল নিয়োগ দেয়া হয়। প্রতিজন রাখালের মাসিক ভাতা ধরা হয়েছিল ৭ হাজার টাকা। কিন্তু পরবর্তীতে সরকারী বরাদ্দ না থাকায় দেড় বছরের মাথায় প্রকল্পটি মুখ থুবড়ে পড়ে। ঋষীপাড়া নৃ তাত্বিক আদিবাসী সমবায় সমিতির সদস্যরা গুরু গুলো বাড়িতে নিয়ে গিয়ে পালন করার নামে বিক্রি করে দেয়। ফলে প্রকল্পটি মুলধন হারিয়ে এখন অস্থিত্ব সংকটে পড়েছে। ঋষীপাড়া নৃ তাত্বিক অদিবাসী সমবায় সমিতির সভাপতি ফনি ঋষী বলেন গরু মোটাতাজা করন প্রকল্পের বর্তমান দেড় লাখ টাকা আমাদের হাতে রয়েছে। তিনজন সদস্য গরু বিক্রি করে টাকা আতœসাৎ করেছে। সেই টাকা উদ্ধারের জন্য উপজেলা প্রশাসনসহ থানায় অভিযোগ দিয়েছিলাম। কিন্তু তিন মাসেও সেই টাকা উদ্ধা করে দিতে পারেনি তারা। সমিতির সাধারন সম্পাদক মহেশ ঋষী বলেন প্রথম কমিটির সময় তিনটি গরু মরে গিয়েছে। উপজেলা প্রশাসন থেকে কোন প্রকার তদারকি নাথাকায় আমরা গরু গুলো চুক্তি ভিত্তিক বর্গা দিয়েছে ছিলাম। কিশোরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন সমিতির যে সদস্যের কাছে টাকা আটকে গেছে তাদের কাছ থেকে টাকা উদ্ধারের চেষ্ঠা চলছে। টাকা উদ্ধার হলে প্রকল্পের গতি ফেরানোর হবে।