Home » » ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নে অতিদরিদ্রদের কর্মসূচিতে অনিয়োমের অভিযোগ

ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নে অতিদরিদ্রদের কর্মসূচিতে অনিয়োমের অভিযোগ

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 30 November, 2019 | 10:51:00 PM

আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওয়েব : ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নে অতিদরিদ্রদের কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগ। দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি) এর প্রকল্পে মাটি কাটার কাজে অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে। ইউনিয়নের প্রকল্পের রাস্তায় মাটি কাটার কাজ না করে অনেকে ৪০ দিনের কর্মসূচির টাকা তুলছেন ব্যাংক থেকে ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউপির চেয়ারম্যান ৪০ দিন মাটিকাটার কাজের তালিকা ও রেজুলেশনের মাধ্যমে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসে জমা দিলেও তার পর যাচাই বাচাই করার পর প্রকল্পের তালিকা চূড়ান্ত হলে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। কিন্তু শিবনগর ইউপির ৬ নং ওয়ার্ডের মোঃ গফুুরের পুত্র মোঃ লোকমান (৫০) এর নামতালিকায় লিপী বদ্ধ করা হলেও সে কাজে ঠিকমত থাকেন না। তার পর ১৪ দিনের টাকা ইউপি সদস্য উত্তোলন করে নেয়। ফুৃলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নে ৬ নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য মোঃ রিপন এর বিরুদ্ধে একই গ্রামের মৃত রহিম সরকার এর পুত্র মোঃ রেজাউল হক সরকারের অভিযোগে যানা যায় যে, উক্ত ইউপি সদস্য বিভিন্ন নাম তালিকায় লিপিবদ্ধ করে ৪০ দিন কর্মসূচির আওতায় ঐ ব্যক্তিরা কাজ না করে টাকা উত্তোলন করছেন এমন অভিযোগ তার। তিনি আরও জানান , তার মাত্র ৫শতক জায়গা রয়েছে। গত ০১/১১/২০১৮ ইং সাল থেকে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির একটি জব কার্ড হয়। যাহার হিসাব নং ১৮৭১ ওয়ার্ড নং-৬। প্রথম কর্মসূচির শুরু থেকে প্রায় ১৫ বছর ধরে ঐ ব্যক্তি মাটি কাটার কাজ করে আসছেন। অথচ ২০ দিন কাজ করার পর তাকে তালিকা থেকে বাদ দেন ইউপি চেয়াম্যান ঐ ইউপি সদস্য । গত ১১/১১/২০১৯ ইং তারিখে ইজিপিপি প্রকল্পের তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর রেজাউল ইসলাম একটি আবেদন জমা দেন । পরর্বতীতে প্রকল্পের কাজ করার জন্য মৌখিক অনুমোতি প্রদান করেন প্রকল্প কর্মকর্তা প্রকৌশলী ফজলু । কিন্তু সড়যন্ত্রমূলক ভাবে রিপন মেম্বর তার নাম ঐ মাটি কাটার মাষ্টার রোল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য যে ৯টি ওয়ার্ডের ৯টি গ্রাম পুলিশ ও আনসার ভিডিপির লোকজন এই কাজের তালিকায় থাকলে তারা কাজ না করে টাকা উত্তোলন করছে। এব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিউল ইসলাম এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, ৪ জনের টাকা প্রদান স্থগিত করা হয়েছে। তবে যাদেরকে কাজের স্থানে পাওয়া যাবেনা। তাদেরকে কোন টাকা দেওয়া হবে ন। আমরা প্রতিদিন এলাকা মনিটরিং করছি। এব্যাপারে মোঃ রেজাউল ইসলাম তদন্ত সাপেক্ষ প্রযোজনীয় ব্যবস্তা নিতে প্রশাসনের আসুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।