Home » , » পার্বতীপুরের নূরুল হুদা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র দেশ বরেণ্য ডাঃ মোঃ খাদেমুল ইসলাম স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান

পার্বতীপুরের নূরুল হুদা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র দেশ বরেণ্য ডাঃ মোঃ খাদেমুল ইসলাম স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 31 October, 2019 | 6:51:00 PM

বদরুদ্দোজা বুলু, পার্বতীপুর প্রিতিনিধ,চিলাহাটি ওয়েব : স্কুলে বিজ্ঞান শাখা না থাকায় বাধ্য হয়ে পার্বতীপুরের জ্ঞানাঙ্কুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে এসএসসি পাশ করতে হয়েছে। আমার এই সাফল্যের পেছনে যে মানুষটির অবদান সেই মানুষটি হচ্ছে আমার বাবা-মা। তিনিই আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ প্রেরণাকারী, প্রথমত মা-বাবা’র আশির্বাদ তারপরে স্কুলের শিক্ষাগুরু। ভালো ছাত্রের পেছনে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিজের সন্তানের মতো করে খেয়াল রাখেন। তবে নিজের অধ্যাবসায় থাকতে হবে, নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস অর্জন করতে হবে। সৎ মনোভাব থাকতে হবে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা থাকতে হবে। তবেই একজন ছাত্রের জীবনে সাফল্য বয়ে আনতে সক্ষম হবে। দোয়া এবং দাওয়া দু’টারই প্রয়োজন। আজ ৩১ অক্টোবর বৃহষ্পতিবার দুপুরে পার্বতীপুর উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের নূরুল হুদা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র দেশ বরেণ্য ডা: মো: খাদেমুল ইসলাম এর স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে স্কুল চত্বরে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। স্কুলের সভাপতি আ,ন,ম, মূহাম্মদ নূরুল আনাম এর সভাপতিত্বে স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পার্বতীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুল ইসলাম প্রমানিক, সাবেক কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ডিজিএম খুরশেদ আলম, প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম, শিবরাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক নূরুল আলম ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আব্দুল হাদী মো: আনোয়ার। তিনি বলেন, ১৯৭০ সালে এসএসসি স্টার মার্ক পেযে ৬ বিষয়ে লেটার এবং তিনি রাজশাহী কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় ৪ বিষয়ে লেটার মার্ক পেয়ে প্রথম স্থান অধিকারসহ বোর্ডের ১৩ তম স্থান লাভ করেন। পরে ১৯৭২ সালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসা বিজ্ঞানে লেখাপড়া করেন। ১৯৭৮ সাথে এমবিবিএস পাশ করেন। পাশ করেই তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইন্টর্ণী চিকিৎসক যত্রা শুরু করেন। পরে ট্রেইনিং পোস্ট এ্যাসিস্ট্যোন্ট সার্জন, এ্যাসিস্ট্যান্ট রেজিষ্ট্রার ও সার্জারি বিভাগের রেজিষ্ট্রার হিসেবে ১৯৮২ সালের জুন মাস পর্যন্ত কাজ করেন। এরপর তিনি পোষ্ট গ্রাজুয়েট কোর্স ইন সার্জারিতে আইপিজিএম এবং আর ঢাকায় ১৯৮২ সালে সার্জারিতে এফসিপিএস ডিগ্রী অর্জন করেন। একজন সার্জন হিসেবে তিনি জুনিয়র কনসালটেন্ট, সিনিয়র কনসালটেন্ট, এসিটেন্ট প্রফেসর, প্রফেসর,এ্যাসোসিয়েট প্রফেসর, প্রফেসর হিসেবে দেশের বিভন্ন হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সুনামের সাথে কাজ করেন। পেশাগত জীবনে তিনি সার্জন এবং মেডিকের টিচার হিসেবে উচ্চতর ডিগ্রী, পোষ্ট গ্রাজুয়েট কোয়ালিফিকেশন এফআইসিএস, এফআরসিএস,এফএসিএস ইত্যাদি ডিগ্রী বিদেশ খেকে অর্জন করেন। তার অনেক ছাত্র সুনামের সাথে দেশের বিভন্ন মেডিকের কলেজ হাসপাতালে কর্মরত আছেন। তিনি স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল থেকে অধ্যাপক ও সার্জারী বিভাগের প্রধান থাকা অবস্থায় সরকারি চাকুরি থেকে অবসর নেন। এদিকে, তিনি চাকুরি থেকে অবসর নেয়ার পরে ভ্রমনপিয়াসী হিসেবে তিনি বিশে^র বহু দেশ ভ্রমণ করেছেন। আর এই ভ্রমণ করার কারণে বিভিন্ন মেডিকেল বিষয়ে সেমিনারে অংশগ্রহন করেন জ্ঞান ার্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকার ল্যাব এইড হাসপাতালে জেনারেল ল্যাপরোস্কোপি সার্জ বিভাগে চীফ কনসালটেন্ট সার্জারী হিসেবে কর্মরত আছেন। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মনোনিবেশ তৈরী করতে ছাত্র-শিক্ষকদের প্রতি পরামর্শমূলক বক্তব্য রাখেন। পরিশেষে দেশে এতো ভাল মানের চিকিৎসক থাকতেও কেন বিদেশ গিয়ে চিকিৎসা করতে হয় ? বিদেশের ডাক্তার আমাদের দে,েশর ডাক্তারদের আচরণ কি এক নয় ? মুখস্ত বিদ্যার সাথে একমত কি না ? ডাক্তাদের ভিজিট এতো বেশী কেন ? স্কুলের শিক্ষার্থীদের এসব বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ঢাকার ল্যাব এইড হাসপাতালে জেনারেল ল্যাপরোস্কোপি সার্জ বিভাগে চীফ কনসালটেন্ট সার্জারিতে কর্মরত দেশ বরেন্য ডা: মো: খাদেমুল ইসলাম ।