Home » » ডোমারে আগুনে ১৮টি পরিবারের সর্বোচ্চ পুড়ে ছাই

ডোমারে আগুনে ১৮টি পরিবারের সর্বোচ্চ পুড়ে ছাই

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 08 September, 2019 | 10:49:00 PM

আব্দুল্লাহ আল মামুন,ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওয়েব : জেলার ডোমারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ১৮টি পরিবারের ৫৬টি ঘড় মুহুর্ত্তের মধ্যেই আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। রবিবার ভোররাতে উপজেলার হরিনচড়া ইউনিয়নের পশ্চিম হরিনচড়া ১নং ওয়ার্ডের চাকধাপাড়ায় এই অগ্নিকান্ডের ঘটনাটি ঘটে। অগ্নিকান্ডে ১৮টি পরিবারের আসবাবপত্র, নগদটাকা, ধান, চাল, সাইকেল, পশুপাখিসহ প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্তরা জানিয়েছেন। অগ্নিকান্ডে একটি গরু ও ৬টি ছাগল অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যায়। স্থানীয় সুজন রায় জানান,রবিবার ভোররাতে তাদের রান্না ঘড়ের চুলা থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়ে তা মুহুর্ত্তে চারিদিকে ছড়িয়ে পরে। এ সময় আশেপাশের জিতেন্দ্রনাথ রায়,জগদিশ চন্দ্র,লক্ষী কান্ত, বিশ্বনাথ, সত্যেন, জয়দেব, গলিবর্মন, হরিকিশোর, ডালিম, লোকনাথ, সুশীল, সুজন, সুমন, বিমোল, অধির, সুমিত্রা, নির্মল ও রিনার বাড়ীতে আগুন লেগে সবকিছুই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ১৮টি পরিবারের কেউ কোন কিছু বাচাঁতে পারেনি। ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আজিজুল ইসলাম জানান,অগ্নিকান্ডে ১৮টি পরিবারের সব পুড়ে গেছে। বর্তমানে ঐ এলাকায় শোকের ছায়া বিরাজ করছে। ভোররাতে অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে ডোমার ও নীলফামারী ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট তিনঘন্টা কাজ করার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। সঠিক সময়ে ফায়ার সার্থিস না এলে পুরো গ্রাম আগুনে পুড়ে যেত বলেও তিনি জানিয়েছেন। সরজমিনে এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজন বাড়ীর সামনে বসে আহাজারি করছে। আগুন তাদের কষ্টের উপার্জিত সবকিছু শেষ করে দিয়েছে বলে তারা জানান। তিলোশ্বরী রানী আগুনে পুরে যাওয়া তার চারটি ঘড়ের দিকে অপলক তাকিয়ে ধেকে জানান, আগুন দেখে তিনি আৎকে উঠেন। সেকেন্ডেই তার সবকিছু পুড়ে যায়। এ সময় ঘড়ে থাকা একলক্ষ টাকা বের করে আনার চেষ্টা করলেও আগুনের তাপে ঘড়ে ঢুকা সম্ভব হয়নি। তিনি কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন এখন তার পরিবারকে ভিক্ষা করে খেতে হবে। সকালেই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন, উপজেলা চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ উম্মে ফাতিমা,ডি,আর,ও এম,এ হায়াত । ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনা খাবার বিতরন করা হয়েছে। সরকারীভাবে একবান্ডিল ঢেউটিন ও ২০ কেজি করে চাল বরাদ্দের কথা জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ উম্মে ফাতিমা। ডোমার ফায়ার সাভির্সের ষ্টেশন অফিসার ফরহাদ হোসেন জানান, খবর পেয়ে ডোমার ও নীলফামারী ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। অগ্নিকান্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।