Home » » দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী’র অত্যাচারে অতিষ্ট দোকান মালিক ও সাধারণ ব্যাবসায়ীরা

দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী’র অত্যাচারে অতিষ্ট দোকান মালিক ও সাধারণ ব্যাবসায়ীরা

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 22 September, 2019 | 2:27:00 AM

চিলাহাটি ওয়েব,ঢাকা অফিস : মৌচাক এলাকার দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী আবুল হোসেন ও তার দুই ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে ফরচুন ও মৌচাক মার্কেটের দোকান মালিক ও সাধারণ ব্যাবসায়ীরা। আবুল হোসেন ফরচুন মার্কেটের ০৮% সেয়ার ক্রয়ের মাধ্যমে ফরচুন মার্কেটে জায়গা করে নেন, পরবর্তীতে তার দুই ছেলে কে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে জোরপূর্বক শপিং মল ভবন টির ০৮টি ফ্ল্যাট ২৪টি দোকান প্লেগ্রাউন্ড ফুট কোর্টসহ মোট ৮০০০ স্কয়ার ফুট জায়গা দখলে নিয়ে 
প্রকৃত ক্রেতাদের প্রান নাশের হুমকির মাধ্যমে উচ্ছেদ করে নিজেরা ভাড়া আদায় শুরু করে যা এখন চলমান রয়েছে। এর পর শুরু হয় আবুল হোসেনের দুই ছেলের অত্যাচার, ফরচুন শপিং মল কেন্দ্রিক চুরি ছিনতাই মাদক ব্যবসা চাঁদাবাজির রাজত্ব কায়েম করে যার ফলে ফরচুন শপিং মলের ভুক্তভোগী দোকান মালিক সাধারণ ব্যাবসায়ী ও ফ্লাট মালিক গন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে থাকে।
গত ৩১/১২/২০১৭ সালে মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বরাবর প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেও কোন প্রতিকারতো পায়ইনি বরং তারা উল্টো প্রতিশোধ নিতে আবুল হোসেন ও তার দুই ছেলে ও তাঁদের সন্ত্রাসী বাহিনী দোকান মালিক সমিতির কার্যালয় দখলে নিয়ে নির্বাচিত ব্যাবসায়ী প্রতিনিধিদের জোর পুর্বক বিতাড়িত করে তাদের দোকান দখল করে নেয় এবং চাঁদাবাজি অত্যাচার নিপিড়নের মাত্রা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ছোট ছেলে নিবিড়কে দেয়া হয় ফরচুন শপিং মলের দায়িত্ব। ছোট ছেলে নিবিড় এর রয়েছে শিশু গ্যাং বাহিনী ব্যক্তিগত গানম্যান (দেহরক্ষী) বড় ছেলে নিয়ন্ত্রণ করে ফরচুন মার্কেট, ফরচুন মার্কেটের সম্পুন্ন নিয়ন্ত্রন তার হাতে । বড় ছেলে বিলাসী জীবন যাপনের অধিকারী ব্যাবহার করেন নামি দামি ব্রান্ডের গাড়ি। এভাবে ফরচুন শপিং মল ও মৌচাক মার্কেট নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়ার পর আবুল হোসেন শুরু করে জুয়ার কারবার, সেজন্য প্রতিষ্ঠা করেন সৈনিক ক্লাব জুয়ার পাশাপাশি রমরমা মাদকের ব্যাবসা, যদিও গত কাল সৈনিক ক্লাবে তেমন কোন লোকজনের চলাফেরা চোখে পড়েনি।
আবুল হোসেন আওয়ামী প্রচার লীগ নামে একটা ভুয়া সংগঠন খুলে নিজেকে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি পরিচয় দিয়ে কমিটি দেয়ার নামে বিভিন্ন জেলা উপজেলা নগর মহানগর কমিটি অনুমোদনের নামে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করে থাকেন। ইতিমধ্যে সরকার আওয়ামী প্রচার লীগ নামের সংগঠন টিকে কালো তালিকা ভুক্ত করেছে। ফরচুন শপিং মলের ভুক্তভোগী ৩৭৬ জন দোকান মালিক ও সাধারণ ব্যাবসায়ীরা
গত ১৭/৭/২০১৯ বাংলাদেশের পুলিশের অপরাধ বিভাগে তাদের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেও কোন প্রতিকার পায় নাই। এমতাবস্থায় ফরচুন শপিং মলের ভুক্তভোগী দোকান মালিক ও সাধারণ ব্যাবসায়ীগন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।