Home » » গোবিন্দগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার কুলি শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা

গোবিন্দগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার কুলি শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 20 August, 2019 | 11:34:00 PM

গাইবান্দা প্রতিনিধি,চিলাহািট ওয়েব : গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধায় গত ৫ দিনে ৪ জন খুন হয়েছে। গত ১৭ আগষ্ট শনিবার এ উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছোটপুত্র ইসরাইল তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় ভাই ইসমাইলকে ছুরির আঘাত করে হত্যা করে। পরেরদিন ১৮ আগষ্ট রবিবার উপজেলার কাটাবাড়ী ইউনিয়নের কাঁঠালবাড়ী গ্রামের আব্দুর রহিমের পুত্র কাঁঠালবাড়ী মোস্তাফিয়া,সিনিয়র আলীম মাদ্রাসার ছাত্র রাহাত ও (১৪)একই গ্রামের খয়বর আলীর পুত্র রফিকুল ইসলাম এর সাথে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কথার কাটাকাটির এক পর্যায়ে রাহাতকে রফিকুল ও তার সহযোগী কয়েকজন পিটিয়ে হত্যা করে। এদিকে ১৯ আগষ্ট সোমবার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আকালু মিয়া নামে এক কুলি শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহত আকালু গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের প্রধানপাড়ার মৃত্যু কছোর আলীর পুত্র। সে গোবিন্দগঞ্জ থানা মোড় চৌরাস্তায় গাড়ি থেকে মালামাল উঠানো নামানো অর্থাৎ কুলি শ্রমিকের কাজ করতো। নিহতের পারিবারিক ও প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায় গত ১৭ আগষ্ট শনিবার গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের হীরকপাড়া এলাকার হীরক মোড়ের এক চায়ের দোকান থেকে চা খাওয়াকে কেন্দ্র করে চায়ের দোকানীর সাথে কথা কাটাকটির এক পর্যায়ে দূর্বৃত্ত দোকানী ও তার সহযোগী দূর্বৃত্তরা আকালুকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় আকালুকে বগুড়া টি এম এম এস মিডিকেলে ভর্তি করিয়ে চিকিৎসা করায় তার পরিবার।উক্ত মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল ১৯ আগষ্ট রাতে আকালু মৃত্যুবরণ করেন। এ সকল অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মেহেদী হাসান জানিয়েছেন মহিমাগঞ্জের গোপালপুরের ইসমাইল হত্যাকান্ড ও কাটাবাড়ীর কাঁঠালবাড়ী গ্রামের রাহাত হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত মূল আসামিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিকে আকালু হত্যার লিখিত অভিযোগ পেলে অভিযোগ অনুযায়ী তদন্ত সাপেক্ষ্যে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। এসকল হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত কেউই রেহাই পাবে না।তিনি আরও জানান গোবিন্দগঞ্জ উপজেলাকে মাদকমুক্ত করতে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। গোবিন্দগঞ্জকে শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি নিশ্চিত করতে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ বদ্ধপরিকার।