Home » » ডোমারে জমি নিয়ে সংর্ঘষ,অন্তঃসত্তার পেটে লাঠির আঘাতে গর্ভপাত

ডোমারে জমি নিয়ে সংর্ঘষ,অন্তঃসত্তার পেটে লাঠির আঘাতে গর্ভপাত

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 29 July, 2019 | 7:00:00 PM

আব্দুল্লাহ আল মামুন, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি, চিলাহাটি ওয়েব : নীলফামারী জেলার ডোমারে জমিতে ধান গাছ লাগানোর সময় প্রতিপক্ষের হামলায় ৫ জন আহত হয়েছে। এ সময় ৬ মাসের অন্তসত্তা এক মহিলাকে লাঠি দিয়ে পেটে আঘাত করায় তার গর্ভপাত ঘটে। 
 ঘটনায় ডোমার থানায় ২১ জুলাই ১৩ জনকে আসামী কে মামলা করা হয়ছে। আহতদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশ্কংাজনক। উপজেলার পাঙ্গা মটুকপুর ইউনিয়নের মৌজাপাঙ্গার জলদান পাড়ায় ঘটনাটি ঘটে। আহতরা হলো,মৌজাপাঙ্গা গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে মোঃ রবিউল ইসলাম(২৮),ভাই হাফিজুল ইসলাম একই এলাকার আফতাব উদ্দিনের ছেলে আনারুল ও আলিনুর এবং আলিনুরের স্ত্রী ৬ মাসের অন্তঃসত্তা পারভীন বেগম।
আহতদের ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে হাফিজুল ও পারভীনের অবস্থা আশঙ্কা জনক থাকায় কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিক্যেল কলেজ হাসপাতালে হস্তান্তর করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পারভীনের গর্ভের সন্তানের গর্ভপাত ঘটে ও বাচ্চার ময়না তদন্ত করা হয়।
ডোমার থানার মামলা সূত্রে ও বাদী রবিউল ইসলাম জানান,গত ১৭ জুলাই সকালে জলদানপাড়ায় আমার ভাই হাফিজুল ইসলাম,আনারুল ও আলিনুর রহমানকে সাথে নিয়ে আমাদের ভোগদখলীয় জমিতে ধানের চাড়া রোপনের উদ্দেশ্যে জমিতে কাজ করার সময় একই এলাকার মনছুর আলীর ছেলে মোজাম(৩৫),তহিদুল ইসলাম ও তার দুই ছেলে শফিকুল ও সাদ্দামগং গন লাঠি,ছোড়া,লোহার রড এবং দেশিয় অস্ত্রে সজ্জিত হইয়া আমাদের জমিতে প্রবেশ করে আমাদের কাজে বাধা দিয়ে মারধর করতে থাকে।
এ সময় আসামী ইয়াছিন আলী লোহার রড দিয়ে হাফিজুলের মাথায় আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পরে। তাদের চিৎকারে আলিনুরে স্ত্রী পারভীন বেগম তার স্বামীকে বাচাতে এগিয়ে আসলে ইয়াছিন ও মমিনুর তার শ্লীলতাহানি ঘটায় ও আসামী মোজাম লাঠি দিয়ে পারভীনের পেটে আঘাত করলে পারভীন মাটিতে লুটিয়ে পরে এ সুযোগে আসামী শফিকুল ও মিজানুর তার পেটে লাথি মারতে থাকে। এ সময় পারভীনের প্রচন্ত রক্তক্ষরন হতে থাকলে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে আসামীরা তাদের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। সেখানে হাফিজুল ও পারভীনের অবস্থা আশাঙ্কা জনক থাকায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের রংপুর হাসপাতালে হস্তান্তর করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ জুলাই রাতে পারভীনের ৬ মাসের সন্তানের গর্ভপাত ঘটে।
গর্ভপাতকৃত সন্তানটিকে ডোমার থানায় নিয়ে আসলে ১৯ জুলাই বাচ্চাটির ময়না তদন্ত করা হয় নীলফামারী সদর হাসপাতালে। এদিকে মামলা করায় বিপাকে পরেছে বাদীর পরিবার। মামলা প্রত্যাহারের জন্য নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে মোজাম গংগন।
ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মামলার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।