Home » » ফুলবাড়ী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভাঙ্গা ঘরে চলছে ক্লাস !

ফুলবাড়ী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভাঙ্গা ঘরে চলছে ক্লাস !

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 09 May, 2019 | 11:37:00 PM

আফজাল হো,ে ফুলবাড়ী প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওয়েব : ফুলবাড়ী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভবন না থাকায় ভাঙ্গা ঘরে চলছে ক্লাস ও অফিস। দিনাজপুরের দক্ষিণ অঞ্চলের ফুলবাড়ী একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা। বলতে গেলে ৫ উপজেলার দ্বার ফুলবাড়ী। ফুলবাড়ী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি ১৯৬৬ ইং সালে স্থাপিত হয়। ১৯৮৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপ্রধান হুসেরইন মোহাম্মদ এরশাদ ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় তিনি ঘোষনা দেন প্রত্যেক উপজেলায় একটি কলেজ ও একটি উচ্চ বিদ্যালয় সরকারী করণন করা হবে। সেই ধারাবাহিকতায় তিনি ফুলবাড়ী কলেজ ও ফুলবাড়ী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সরকারী করনের ঘোষনা দেন। ফুলবাড়ী কলেজটি সরকারী হলেও ফুলবাড়ী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি তৎকালীন প্রধান শিক্ষিকা নিজের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য এই পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি সরকারী করন থেকে বিরত থাকেন। বিদ্যালয়টি সরকারী করন করা হলে তার স্বার্থের ব্যঘাত ঘটবে সে জন্য তিনি আর দৌড় ঝাপ করেন নি। ফলে ফুলবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি সরকারী করন থেকে বঞ্চিত হয়। ফুলবাড়ী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট ছাত্রীর সংখ্যা ৪৬২ জন। ভোকেশনাল ও জেনারেল সহ শিক্ষক ২৯ জন, কর্মচারী ৭ জন। ফুলবাড়ী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫০ জন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেন তাদের মধ্যে ৩৯ জন শিক্ষার্থী পাস করেন। পাশের হার ছিল ৭৮ %। আর ভোকেশনাল পরিক্ষায় ৩৭ জন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেন তাদের মধ্যে ৩২ জন শিক্ষার্থী পাস করেন। পাশের হার ছিল ৮৬ %। ১৯৬৬ সালে এই বিদ্যালয়টি স্থাপিত হলেও বিদ্যালয়টি অবহেলিত অবস্থায় পড়ে আছে। ছাত্রীদের ক্লাস রুম নেই ভাঙ্গা ঘরে বসে ক্লাস করছে তারা। এদিকে শিক্ষকদের বসার কোন রুম নাই মান্দাতা আমলের একটি ভাঙ্গা ঘরে প্রধান শিক্ষক ও অফিস সহকারী বসেন। শিক্ষকদের অবসর সময় কাটার জন্য কোন ঘর নাই। ফুলবাড়ীতে বিভিন্ন সুধিজন থাকলেও এই বিদ্যালয়টির প্রতি তাদের কোন দৃষ্টি নাই। অথচ ফুলবাড়ী উপজেলার অজপাড়া গাঁয়ে স্কুল আছে, ছাত্র নাই সরকারি বেতন তুলছেন সেখানে ভবন দেওয়া হয়েছে। তৎকালীন প্রাথমিক ও গণ শিক্ষ মন্ত্রীন ডিও লেটার ছাড়া এসব বিদ্যালয়ের বিল্ডিং হয় নি। স্থানীয় জনগণের প্রশ্ন এই বালিকা বিদ্যালয়টি কেন অবহেলিত? কমিটি থাকলেও কয়েকবার হাত বদল হয়েছে। এখন বর্তমান এই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ফুলবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আতাউর রহমান মিল্টন। তিনি এই কমিটিতে আসার পর এই বিদ্যালয়টির পরিবর্তন আসছে। তাকিয়ে আছে ফুলবাড়ী বাসী, বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মচারী ও ছাত্রীরা। তারা মনে করছে এবার বিদ্যালয়টির পরিবর্তন আসবে এবং ভবন হবে। ভবন না থাকার কারণে দিন দিন বিদ্যালয়টি ধ্বংশের দিকে ধাবিত হচ্ছে। এ ব্যাপারে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল, সুধিজন, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ও দিনাজপুর জেলা শিক্ষা জোনের প্রকৌশলীর আসুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।