Home » » বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ভূ-গর্ভ থেকে উৎপাদন শুরু

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ভূ-গর্ভ থেকে উৎপাদন শুরু

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 09 March, 2019 | 11:31:00 PM

আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওয়েব : দেশের উত্তর অঞ্চলের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির চীনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এক্সএমসি-সিএমসি কনসোর্টিয়াম এর পাওনা পরিশোধ। গত ৮ই মার্চ সন্ধ্যা ৬টায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ভূ-গর্ভ থেকে উৎপাদন শুরু। পাওনা টাকার দাবিতে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছিলেন চীনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এক্সএমসি-সিএমসি কনসোর্টিয়াম। চীনা কোম্পানী ২ শত কোটি টাকা বকেয়া পাওনা পরিশোধের দাবিতে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ চীনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স এক্সএমসি-সিএমসি কনসোর্টিয়াম কয়লা উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছিলেন। গত ১ মার্চ কয়লা খনির নতুন ১৩০৮ নং কোল ফেস থেকে কয়লা উত্তোলনের কথা ছিল। কিন্তু চীনা কোম্পানী পাওনা পরিশোধ না পাওয়ায় উৎপাদনে যায়নি তারা। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির চীনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স এক্সএমসি-সিএমসি কনসোর্টিয়াম বর্তমানে তৃতীয় দফা চুক্তির আওতায় ২০১৭ সালের আগষ্ট থেকে কয়লা উত্তোলন করে আসছে। এর আগে দ্বিতীয় দফা চুক্তির মেয়াদ শেষ হয় ২০১৭ সালের ১০ আগষ্ট। ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী প্রতি মাসের উৎপাদন বিলের ১০ শতাংশ কর্তন করে বিল পরিশোধ করা হতো। ঠিকাদার লক্ষ্য মাত্রা অনুযায়ী সময় মত কয়লা উত্তোলন করলে চুক্তির মেয়াদ শেষে ৬ মাসের মধ্যে কর্তনকৃত টাকা ফেরত পাওয়ার কথা। এ অবস্থায় অর্থ সংকটে পড়ে এক্সএমসি-সিএমসি কনসোর্টিয়াম। ১ মার্চ থেকে নতুন ১৩০৮ নং কোল ফেস থেকে কয়লা উত্তোলনের কথা থাকলেও চীনা কোম্পানী উৎপাদনে যায়নি। গত ৭ মার্চ বৃহস্পতিবার ঢাকায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির কোম্পানীর বোর্ড মিটিংয়ে চীনা কোম্পানীর সমুদয় পাওনা পরিশোধ করে দেন। গত ৮ মার্চ শুক্রবার সন্ধা সাড়ে ৬টায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ভূ-গর্ভস্থ ১৩০৮ নং কোল ফেস থেকে কয়লা উৎপাদন শুরু হয়। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফজলুর রহমান দক্ষতার সাথে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির শ্রমিকদের পাওনা ও চীনা কোম্পানীর পাওনা পরিশোধ করেন। এ বিষয়ে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফজলুর রহমানের সাথে কথা বললে, তিনি জানান ঢাকায় খনির বোর্ড মিটিং-এ চীনা কোম্পানীর সকল পাওনা পরিশোধ করে দেওয়ায় গত ৮ মার্চ শুক্রবার সন্ধা ৬টায় ভূ-গর্ভস্থ থেকে খনির কয়লা উৎপাদন শুরু হয়।