Home » » কয়লাখনির ক্ষতিগ্রস্থদের চাকুরী ও দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ডি.ও বাণিজ্যকারীদের বিচারের দাবিতে সভা অনুষ্ঠিত

কয়লাখনির ক্ষতিগ্রস্থদের চাকুরী ও দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ডি.ও বাণিজ্যকারীদের বিচারের দাবিতে সভা অনুষ্ঠিত

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 27 February, 2019 | 11:23:00 PM

আফজাল হোসেন ফুলবাড়ী প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওয়েব : বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ক্ষতিগ্রস্থদের চাকুরী ও কয়লা দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এবং কয়লা ডি.ও বানিজ্যকারীদের বিচারের দাবিতে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গত ২৬ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টায় পার্বতীপুর উপজেলার পাতরাপাড়া গ্রামে হামিদপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন মন্ডল এর সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ ২০ গ্রাম সমন্বয় কমিটির নেতা মোঃ মশিউর রহমান বুলবুল। তিনি আলোচনা সভায় স্থানীয় জনতার উদ্দ্যেশে বলেন, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি এলাকার সাড়ে ৬শত একর জমি ইতিপূর্বে খনি কর্তৃপক্ষ অধিগ্রহন করেছে। যার শিকি অংশ টাকা এখনও এলাকার মানুষ পায়নি। খনি কর্তৃপক্ষ জমি অধিগ্রহন করার আগে বলেছিলেন, এই এলাকার এমন উন্নয়ন করা হবে যা দেখে এলাকার মানুষ খুশি হবে। কিন্তু খুশি থাকাতো দুরের কথা এই কয়লা খনি থেকে কোটি কোটি টাকা লুঠপাঠ করেছে খনির কতিপয় কর্মকর্তারা। যার কারনে এই এলাকার মানুষ সবকিছু থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এলাকার রাস্তাঘাট উন্নয়ন না করে এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ লোকজনদের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে। আর করতে দেওয়া যাবেনা। আপনারা শুনেছেন যে, উত্তর এবং দক্ষিন দিকে খনির নতুন উন্নয়নের কাজ করা হচ্ছে। তার মানে অচিরেই ওপেন মাইনিং অথবা ভূ-গর্ভস্থ পদ্ধিতে কয়লা তোলা হবে। এতে এই এলাকার প্রায় গ্রাম ধ্বংস হয়ে যাবে। এখনই সচেতন না হলে ভবিৎষত অন্ধকার হয়ে যাবে। এলাকার বেকার যুবকেরা এই খনি আলোর মুখ দেখার পর থেকে তাদের কোন চাকুরী হয় না। চাকুরী হয় অন্য জেলার লোকজনদের। যারা কয়লা খনিতে ডি.ও বানিজ্য করে কালো টাকার মালিক হয়েছেন তাদের সম্পদ জব্দ করতে হবে। খনি থেকে দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বদলী করলেও তারা হাইকোর্টে রিট করে আবার খনিতে ফিরে আসার ষড়যন্ত্র করছে। তারা কয়লা খনিকে নিয়ে এত ষড়যন্ত্র কেন করছে? আমরা এসব ষড়যন্ত্রকারীদের তদন্ত স্বাপেক্ষে বিচারের দাবি করছি। সরকার কয়লা লোপাটকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গিয়ে পুরো ঘটনা ধামা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি এলাকার ক্ষতিগ্রস্থদের পরিবারের বেকারদের চাকুরীর দাবি, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্থ ২০ গ্রামের মানুষের সাথে প্রতারণা করা হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। আমরা খনি এলাকার মানুষ আবাদী জমি, বাড়িঘর, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, মন্দির ইত্যাদি হারিয়েছি, আর হারাতে চাই না। খনি কর্তৃপ কে ক্ষতিগ্রস্থ ২০ গ্রাম কমিটির নেতৃবৃন্দর সাথে এসব বিষয়ে কথা বলতে হবে। কথা না বললে নতুন করে কোন খনি করতে দেওয়া হবে না। দূর্নীতিবাজদেরকে বিদায় দেওয়ার পর তারা সাবে মাত্র যোগদানকারী ব্যবস্থা পরিচালকের বিরদ্ধে নতুন করে ষড়যন্ত্র করেছে। তারা চায় এই ব্যবস্থাপককে সরিয়ে দিয়ে এই খনিতে ফিরে এসে আবার দূর্নীতির স্বর্গরাজ্য কায়েম করতে চায়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঐ এলাকার মোঃ বেনজিল ওয়ালেদ, বিশিষ্ট্য ব্যবসায়ী মোঃ রেজওয়ানুল, বিশিষ্ট্য ব্যবসায়ী মোঃ লুৎফর রহমান, মোঃ আক্কাস আলী, মোঃ হিটলার, মোঃ মিলন, মোঃ গোলাম হোসেন পান্না, মোঃ রেজাউর রহমানসহ এলাকার প্রায় ৫ শতাধিক গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন।