Home » » দিনাজপুরে কেজি প্রতি চালের মূল্য ২ থেকে ৩ টাকা বৃদ্ধি

দিনাজপুরে কেজি প্রতি চালের মূল্য ২ থেকে ৩ টাকা বৃদ্ধি

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 12 January, 2019 | 11:34:00 PM

স্বরূপ বকসী বাচ্চু, দিনাজপুর ব্যুরো,চিলাহাটি ওয়েব : ধানের জেলা দিনাজপুর-ধানের তুলনায় হঠাৎ করে কেজিতে সব ধরনের চালের কেজিতে ২/৩ টাকা বেড়ে যাওয়ায় কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না। ফলে কৃষকদের হাত বদল হয়ে মিল মালিকদের কাছে চালের রূপান্তরের মধ্যে মূল্য হেরফের হওয়ায় মধ্যস্বত্তভোগীরা লাভবান হলেও দাম পাচ্ছেন না ধান উৎপাদনকারী কৃষকরা। সারবীজ মুজুরি এবং অনাবৃষ্টির কারনে সেচ কাজে এবার ধান উৎপাদনে খরচ বেড়েছে কৃষকদের। সেই তুলনায় দাম না পাওয়ায় প্রত্যাশিত লাভ ঘরে তুলতে পারছেনা তারা। তবে চালকল মালিকরা বলছে- সরকারের ক্রয় অভিযান এবং বাজারে ধানের দাম বাড়ার কারনে চালের দাম বেড়েছে। আর খুচরা বিক্রেতারা বলছেন পর্যাপ্ত চাল মজুত থাকার পরও মিলারদের কারসাজির কারনে বেড়েছে দাম। দিনাজপুরের বাজারে এক সপ্তাহের ব্যাবধানে সবধরনের চালের দাম কেজিতে ২-৩ টাকা বেড়েছে। ৩৫ টাকা কেজির আটাশ চালের দাম বেড়ে ৩৮-৩৯ টাকা, ৩২/৩৩ টাকার উনত্রিশ চাল ৩৫/৩৬ টাকা, ৪২ টাকার মিনিকেট বেড়ে ৪৭-৪৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। স্বর্ন প্রতিবস্তা (৫০ কেজী) এখন বিক্রি হচ্ছে ১৪৬০ টাকা আগে ছিল ১৪০০ শ টাকা, গুটিস্বর্ন প্রতিবস্তা (৫০ কেজী) এখন বিক্রি হচ্ছে ১৫৫০ টাকা আগে ছিল ১৪৫০ শ টাকা, গুটিস্বর্ন প্রতিবস্তা (৫০ কেজী) এখন বিক্রি হচ্ছে ১৫৫০ টাকা আগে ছিল ১৪৫০ শ টাকা, আটাশ চাল প্রতিবস্তা (৫০ কেজী) এখন বিক্রি হচ্ছে ২০০০ টাকা আগে ছিল ১৭৫০ শ টাকা, উনত্রিশ প্রতিবস্তা (৫০ কেজী) এখন বিক্রি হচ্ছে ১৮৫০ টাকা আগে ছিল ১৭০০ শ টাকা, মিনিকেট প্রতিবস্তা (৫০ কেজী) এখন বিক্রি হচ্ছে ২৩৫০ টাকা আগে ছিল ২১০০ শ টাকা। হঠাৎ করেই চালের এই মূল্য বৃদ্ধিতে স্বল্প ও নি¤œ আয়ের ক্রেতা সাধারন ক্ষুদ্ধ ও হতাশ। তাদের অভিযোগ বাড়ছে চালের দাম লাভ হচ্ছে মিলারদের। চালের এই মূল্য বৃদ্ধির জন্য ধানের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি চালকল মালিকদের কিছুটা কারসাজিও রয়েছেন বলে মনে করছেন খুচরা বিক্রেতা। সরকারের ক্রয় অভিযান এবং ধানের বাজার বৃদ্বির কারনে চালের দাম বেড়েছে বলে মনে করছেন মিলাররা। মিল মালিকরা এই মূল্য বৃদ্ধিকে স্বাভাবিক উল্লেখ করে বলছেন, আমন মৌসুমে বাজারে ধান-চালের দাম কমে গিয়েছিল। এখন ধানের দাম বাড়ার কারনে চালের বাজার আগের অবস্থায় ফিরে এসেছে। দিনাজপুরে এবার ২ লাখ ৫৭ হাজার হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছে, উৎপাদন ৭ লাখ মেট্রিক টন। সরকার জেলা থেকে ক্রয় করবে ৪৯ হাজার মেট্রিক টন চাল।