Home » » বদরগঞ্জে আবারো যমুনেশ^রী নদীর বালু উত্তোলনের মহোৎসব

বদরগঞ্জে আবারো যমুনেশ^রী নদীর বালু উত্তোলনের মহোৎসব

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 09 December, 2018 | 12:00:00 AM

আকাশ রহমান, বদরগঞ্জ প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওয়েব : রংপুরের বদরগঞ্জে প্রশাসনিকভাবে অনুমতি না থাকলেও থেমে নেই যমুনেশ্বরী নদীর বালু উত্তোলণ। বর্ষা শেষে নদীর পানির কমে যাওয়ায় নদী অঞ্চলের প্রভাবশালীরা স্থানীয় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে পুনরায় বালু উত্তোলণ শুরু করেছে। তারা নদী থেকে বালু উত্তোলন করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিলেও প্রশাসন নীরব রয়েছে। উল্টো বালু খোকোদের বিরুদ্ধে স্বোচ্ছার হওয়ায় এলাকার সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত বালু ব্যবসায়ীদের দ্বারায় হয়রানীর শিকার হচ্ছেন। গতকাল শনিবার সরেজমিনে উপজেলার লোহানীপাড়া ইউনিয়নের সোনারপাড়া এলাকায় যমুনেশ^রী নদীর চরে গেলে চোখে পড়ে ডেজার মেশিনের মাধ্যমে বালু উত্তোলণের বাস্তব চিত্র। ওই এলাকার সোনারপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন ব্যক্তি নদীর কয়েকটি পয়েন্টে অঘোষিত বালু মহল গড়ে তুলেছেন। সেখান থেকে রাতদিন বালু উত্তোলন করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এমনকি বালু বিক্রির লভ্যাংশ চলে যাচ্ছে কতিপয় পুলিশ কর্মকর্তাসহ স্থানীয় হোমড়া চোমড়া ব্যক্তিদের পকেটেও। এ বিষয়ে নাগেররহাট বন্দর এলাকারর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেন, তাদের অনেকের বসতবাড়ী ও ফসলী জমি যমুনেশ^রী নদী গর্ভে বিলিন হওয়ার পর তারা এখন নিঃশ^ প্রায়। বর্ষা শেষে জেগে ওঠা নদীর চরের জমিতে ভুট্রা, আলু, কলাই মিষ্টি আলু চাষাবাদ করে কোন রকম জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। কিন্তু প্রভাবশালীরা নদীর বালু উত্তোলনের ফলে একদিকে যেমন ফসলী জমি ও কাঁচা পাকা রাস্তা নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি সরকার হারাচ্ছে হাজার হাজার টাকা রাজস্ব। অথচ, তারা বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেও বালু উত্তোলণ বন্ধ হয়নি। বর্ষা শেষে যমুনেশ্বরী নদীতে আবারো বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। তারা বালু উত্তোলণ বন্ধের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। এ বিষয়ে বালু উত্তোলণকারী নজরুল ইসলাম বলেন, আমাদের ফসলি জমি যমুনেশ^রী নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যাওয়ার পর থেকে আমরা এখন নদী থেকে বালু উত্তোলণ করছি। আমাদের নামে প্রশাসন কতগুলো মামলা করবে করুক এবং সাংবাদিকরা কত লিখতে পারে লিখুক বালু উত্তোলণ অব্যাহত থাকবে।