Home » » অনন্ত- অন্তরা ( দ্বাদশ পর্ব )

অনন্ত- অন্তরা ( দ্বাদশ পর্ব )

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 08 November, 2018 | 11:01:00 AM

























॥ সৈয়দ মিজানুর রহমান ॥

 নতুন করে ঠুকাঠুকি বাঁধানোর কোন স্কোপ দু’জনে খুঁজে না পেয়ে মজার খাবারের মজা নিয়ে তৃপ্তি ঢেকোর তুলে দারোয়ানকে বকশিশ দিয়ে অনন্ত সন্ধ্যাকে বলল তুই একটা রিক্সা ঠিক কর আমি আসছি । সন্ধ্যা কিছু বলতে চাইলেও অনন্ত কোন সুযোগ না দিয়ে চলে গেল- সন্ধ্যা কিছু না বলতে পেরে অবাক চোখে নেমে গেল আস্তে আস্তে নিচে কিন্তু রিক্সা ঠিক না করে ফোন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লো মানে ফেসবুকিং । ঐ দিকে অনন্ত সোজা টঙ দোকানে এককাপ দুধচা সাথে সিগারেট দুটো একসাথে খাওয়া এবং টানের ধুম পড়ে গিয়েছে- সুখটান দিতে দিতে দোকানদার ভাইকে বলল ভাই একটা ডবল পান মিষ্টি জদ্দা সাথে গুয়োমুড়ি একটু অল্প খয়ের – একটু তাড়াতাড়ি করেন ভাই । কত দিতে হবে? ২৭ টাকা- ওকে এই নিন টাকা ।
এসে দেখে সন্ধ্যা ওখানে নেই- কী ব্যাপার? কল করল- কিন্তু কল ধরলো না । আবার উপরে সেখানে নেই- নিচে এসে খুঁজে পেল এবার, সেখানে অনেক মেয়েদের মধ্যে সন্ধ্যাও আছে- বেশী ভাগ মেয়েদের হাতে ঐ স্মার্টফোন সাথে দুনিয়া ভুলানো নেটের জটিল আসক্তি জগত নিয়ে মেতে আছে- বাহ্ কত পাশাপাশি একজন অন্যজনের অথচ কারোর সাথে কারোর দেখা নাই কথা নাই । অথচ ফেসবুকিং এমন মানুষের সাথেই তো হয়ে যায় কিন্তু এতো পাশাপাশি থেকেও সেই আকর্ষণ হারিয়ে গিয়েছে অন্যরকম এক ডিজিটাল মাধ্যমের কারণে যার নাম সবাই জানি যাদুর বাক্স স্মার্টফোন ব্লা ব্লা ব্লা!!!
সন্ধ্যা তুই এখানে আর আমি তোকে হ্যারিকেন জ্বালিয়ে খুঁজছি- এর কোন মানে হয়? একদম আত্মভোলা হয় বসে আছিস!!
এই কে আত্মভোলা হয়ে বসে আছে রে? আমি আত্মভোলা নই বরং তুই আত্মঅহংকারী হয়ে উঠেছিস, তাই এটা তোকে শায়েস্তা করার প্রথম ধাপ- বুঝলি ?
 তুই ওঠ তারপর রিক্সায় গিয়ে যা বলার বলিস – তাড়াতাড়ি আয় আমি রিক্সা দাঁড় করাই । এই রিক্সা যাবে?
কোথায়?
নীলক্ষেত-
যামু- ওঠেন-
ওকে- কী ব্যাপার সন্ধ্যাকে দেখছি না কেন? এমন করলে কি চলে? আমার যত তাড়া ওর তত ধীর - আজ ও ইচ্ছে করেই করছে এটা কি আমি বুঝি না – সময় আমার ও আসবে- এই সন্ধ্যা --- এই দিকে – এই তো আমি- এতো দেরী করলি কেন- তুই সব সময় জিদ করিস- এটা কিন্তু ঠিক না- আমার কোন কাজ যখন তোর পছন্দ বা ভাললাগে না ঠিক তখনই তুই অত্যাচারের বুল্ডুজার নিয়ে হাজির থাকিস । এটা কি ঠিক?
এই বেশী কথা বলবি না- ঠিক না বেঠিক সেটা পরে হবে- এটা আমার দোষ না তোর কলাপ খারাপ- তোর ব্যস্ততায় আমার কাজ পড়ে যায় তাই এমন হয় – আমি ও চাই না তোর সাথে আমার এমন হয়ে যাক- একটু মেইন্টেন করে চলতে পারলে এমন সমস্যা কখনও হবে না । আমি কী বলি তুই আবার ঠিকঠাক বুঝতে পারিস না- এটাই আমার ব্যর্থতা- এইজন্য আমার ও কষ্ট কম নয় ।
একটা কথা আবার নতুন করে জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে করছে- করি?
হ্যাঁ কর—-------------
আমাকে না জ্বালাতে পারলে তোর ভালোই লাগে না – যখন তুই শ্বশুরবাড়ী যাবি তখন এই অনন্তকে কোথায় পাবি? তখন তোর এই অভ্যাসের জন্য বিপদে পড়ে যাবি- জ্বালানোর মতো এমন কাউকে কিন্তু আর পাবি না – এই অনন্ত শুধু একজনই তোর জন্য জন্ম হয়েছে – এখনও সময় আছে আমাকে কদর কর – না হলে অনেক কাঁদতে হবে কিন্তু ।
 ইস- কী সব বাজে কথা বলিস- তুই আমার ইমোশনাল হ্যাক করিস না – আমি মন খারাপ করতে পছন্দ করি না – শোন তোকে আমার সাথে করে নিয়ে যাব – কারণ তুই নিজে বলেছিস তুই আমার জন্য – হি হি হি –
 শোন আমি পৃথিবীর যে প্রান্তে থাকি না কেন তুই আছিস থাকবি আমার সাথে – তোকে আমি কোনদিন হারাতে পারবো না আমার লক্ষী বন্ধু ।
বাহ্ -- কথাগুলি আমার মন ছুঁয়ে গেল যেন সোনার শিকল- তবুও শিকল সে কথা আমি বুঝি- হা হা হা – আমি বুঝি- তোকে দূরে কোথাও বিয়ে দেবো না – আমার বাড়ির আশেপাশে তোকে বিয়ে দিয়ে রেখে দেবো- তাহলে তুই সারাজীবন আমাকে ফ্রী জ্বালাতে পারবি- কি হলো ঠিক বলিনি?
 সেটা সময় হলে দেখা যাবে- চলে এসছি তুই নেমে পড়- ভালো থাকিস- বাই-
 তুই ও ভালো থাকিস – বাই
ভাই আগে বাড়েন, সামনে যে মুদি দোকান দেখতে পারছেন ওখানে দাড়াবেন –
ঠিক আছেন ছোড সাহেব ।
ভাই সাহেব বলবেন না আমাকে – জাস্ট ভাই – ছোট ভাই – তাতেই আমি খুব খুশী – টিক আছে ।
 ঠিক আছে ছোড ভাই ।
 নেমে গেল অনন্ত- রেগুলার প্রয়োজনীয় যা নেবার নিয়ে বাসায় ডুকলো- রিক্সাওয়ালা খুব খুশী অনন্তের কথাগুলি শুনে- বলছে- মানুষ সাহেব শুনতে ব্যাকুল – কতজন রিক্সায় উঠে কত দেমাক দেখায়- আর ভাই আমাকে কত সমীহ করে কথা –বলল (বরিশালের আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহৃত হবে)। তকক্ষণে অনন্ত ফ্রেস হয়ে সিগারেট ধরালো একটা, বারান্দায় গিয়ে ইজি চেয়ারে বসলো- দোল দিয়ে দিয়ে সিগারেটে দোম দিচ্ছে আর ভাবছে সারাদিনে কী ঘটে গেল অন্তরার সাথে, চোখ মেলে লম্বা টানে ধোঁয়া বৃত্তাকারে ছেড়ে ছেড়ে ধোঁয়ার মাঝে অন্তরাকে আবিষ্কার করতে লাগলো, বারান্দায় বসে রিমুট দিয়ে টিভি অন করতে গান বেজে ওঠলো- এ তুমি কেমন তুমি চোখের তারায় আয়না ধর-
ঠিক এমন কিছু অনুভব করছিলাম আমিও, তাই আবেগী মন অন্তরাকে ছুঁয়ে গেয়ে উঠলো-
“এ কেমন মায়া তোমার-
অন্তর খানি আঁকড়ে ধর-
এ কেমন রূপ তোমার
চোখের কোণায় ধাঁধা ধর –
এ কেমন মিষ্টি তুমি
 ফুলের গন্ধে পাগল কর”
কতটা আপন অনুভব হলে এতো বেশী অস্থির লাগতে পারে- কতটা ভালবাসা জাগলে হৃদয়ের শূন্যতা আঁচ করা যায়-কতটা প্রেম মিশ্রিত হলে ভালবাসা প্রবাহিত হয় পাহাড়ি ঝর্ণা হয়ে এঁকে বেঁকে নদীর দু’কূল ঘেঁষে । চোখে আঠার মতো লেগে আছে আড়াল করা সেই মোহনীয় আবছা মুখখানি! এলো চুলে ঝাপসা মুখশ্রী এলোমেলো ভাবনা মনে দু’চোখে ঘুম নেশা অন্তরার মন্ত্র পড়লো চৈতন্যে । ভাবনার পশরা মেলে কখন যেন ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম!ঘুম থেকে উঠে নিজে ঠিক গুছিয়ে নিতে পারছিলাম না- সকাল নাকি বিকেল ঠাহর করতে পারছিলাম না- তাড়াতাড়ি হ্যান্ড সেটটা হাতে নিয়ে দেখি সন্ধ্যা ৫-৩০টা, বুঁদ হয়ে কিছু সময় চক্ষু বন্ধ করে বসতেই অন্তরা চোখের পাতায় আবার এসে ভর করলো । কী নেশায় জড়ালে ওগো বন্ধু- বেশ ক্ষুধা অনুভব হচ্ছে- যাই শঙ্করের কাছে ।
এই শঙ্কর – শঙ্কর – এসে গেছি – কোথায় গেলি রে- দাদা ও তো আজ আসে নাই- কেন ওর কী হয়েছে? জ্বর হয়েছে দুইদিন ধরে- ডাঃ কইছে ডেঙ্গু হইতে পারে- রক্ত টেস্ট করতে কইছে কিন্তু টাকা নাই তাই বাসায় আছে ।ওর বাসা কোথায় আমাকে নিয়ে চল । চলেন দাদা- এইতো সামনে বাসা- দুই মিনিট লাগে বাসায় যাইতে । আসেন দাদা আসেন ঐ ঘরে থাকে, ওহ আচ্ছা, এই শঙ্কর দেখ কাকে নিয়ে আইছি- শঙ্কর বড় বড় চোখ করে দেখতে চাইছে কে আইছে তারে দেখতে- শঙ্কর কীরে তোর জ্বর আমাকে খবর পাঠাস নাই কেন? এখন কেমন লাগছে তোর? দাদা কেমন আছেন? আপনের চা তো খাওয়া হয় নাই, মনে কষ্ট নিয়ে না – আমি সুস্থ হয়ে আবার চা বানাইয়া খাওয়াব, যে কয় কাপ খাইতে চাইবেন সেই কয় কাপ খাওয়াব আমি । আমার কথার উত্তর না দিয়ে এইসব বলতে হবে না – ও আমি আপনার বাসা চিনি না , ভালো লাগছে না একটুও । টাকার সমস্যা তাই তো? জ্বে দাদা, কতটাকা লাগবে তোর? জানি না দাদা- ঠিক আছে এই দুই হাজার টাকা রাখ – এই ছেলে তুমি ওর সঙ্গে জেতে পারবে নাকি আমি যাব? না না আপনের যাওয়া লাগবে না, আমি শংকরকে নিয়ে যাব । আমার মোবাইল নম্বর এটা – কাছে রাখ সমস্যা মনে হলে আমাকে ফোন করিস- কোন দ্বিধা করবি না । ঠিক আছে – ওহ তোর মোবাইল থেকে আমাকে মিস কল করিস – এখনই করিস কেমন । ঠিক আছে দাদা ।
 সোজা পাশের একটি ক্যান্টিন থেকে নাস্তা করে বাসায় চলে আসলো । কিন্তু মনটা তার একটু ও ভালো নাই । ছেলেটার কথা ভাবছে, ভাবছে কতগুলি স্বপ্ন কত নিবিড় হয়ে মিশে আছে- টাকার অভাবে কত ফুল অসময়ে ঝরে যায়- কত বাবা মায়ের বুক খালি হয়ে যায় আবার সন্তান অসহায় বা এতিম হয়ে এই সমাজে শ্যাওলা মতো ভাসে বেড়ায় । কত মানুষের কত টাকাপয়সা- স্বার্থে লক্ষ কোটি টাকা বাজি ধরতে দ্বিধা করে না আবার কত বিলাসিতায় জীবন কাটে- নিচু তলার মানুষ চোখের সামনে ঘোরে- রোগে শোকে জরাজীর্ণ জীবনের অভাব ঘুচাতে কয়জন এগিয়ে আসে? ধুর এইগুলি কী ভাবছি – এইগুলি এখন সমাজের সবচেয়ে সস্তা কথা – সস্তা অনুভূতি ।
ফোন বেজে ওঠলো- মিস কল হয়ে গেল- মনে হয় শঙ্কর- কল ব্যাক করতেই ওপাশ থেকে শঙ্করের কন্ঠ ভেসে এলো- হ্যাঁ শঙ্কর কোথায় তুই? আমি যাচ্ছি ডাক্তারের কাছে- ঠিক আছে যা- কোন চিন্তা করিস না – বাড়িতে কিছু বলিস না ঠিক আছে? ঠিক আছে দাদা ।
কোন রোমান্টিকতা এখন আর আমার মধ্যে কাজ করছে না – চারিপাশের স্বার্থপরতা এখন আমাকে পেয়ে বসেছে- রাজনীতি আরো কতনীতি আছে সমাজ বেষ্টনীতে কিন্তু কথার ফুলঝুরি বেশীরভাগ জুড়ে লোভনীয় কোন না কোন ফাঁদে । ছেলেটা যে মালিকের কাজ করে তার তো অনেক টাকা সে চাইলে এই ছেলেটার ফ্রী চিকিৎসা করিয়ে দিলে কী এমন ক্ষতি?- সেতো অনেক পরের কথা – ধারে অন্তত টাকার ব্যবস্থা করে দিতে পারতো । কিন্তু গরীবদের মানুষ বলে গন্য করে না বলেই এই ভাবনা মাথায় আসে না ।
একটার পর একটা সিগারেট টেনে যাচ্ছে আর সমাজের অবক্ষয়ের কথা ভাবছে- মৌলিক অধিকারটুকু এখন নিশ্চিত হল না স্বাধীনতার এতো বছর পর !! ভুপেন হাজারিকার “মানুষ মানুষের জন্যে একটু সহানুভূতি কি দিতে পারে না ও বন্ধু- মানুষ মানুষের জন্যে” এই গানটি বুঁদ হয়ে শুনছে ।
আবার ফোন বেজে উঠলো এবার অন্যকারোর নয় সেই অন্তরার ফোন- কিন্তু ফোন ধরলো না – মনের অবস্থা ঠিক যেমনটি হওয়ার কথা তেমনটি নাই তাই ইচ্ছে থাকা সত্যেও ফোন ধরল না । এরপর আবার ফোন বেজে উঠলো- এবার অন্তরা নয় সন্ধ্যা কল করেছে- ফোন এবার ধরল-
হ্যালো সন্ধ্যা বল
কী বলবো আর – আমার মন খারাপ-
কেন কী হয়েছে? তোর আবার মনও খারাপ হয়? তা আমার কী করতে হবে সেটা বল আমি করে দিচ্ছি ।
তোকে কিছু করতে হবে না – তোকে শুধু শুধু আজ অনেক কষ্ট দিয়েছি তাই আমার মন খারাপ হয়ে গিয়েছে বুঝলি? তুই এটা কী শুনালি- এই প্রথম শুনলাম- আমাকে কষ্ট দিয়ে তোর মন ও খারাপ হয়!!!!! হাসবো না কাদবো সেটাই বুঝতে পারছি না এখন !! যাক তোর একটু হলে আমার জন্য মায়া হয়েছে শুনে খুব খুশী লাগছে- এই জন্য তোর জন্য একটা গিফট আছে- তবে সত্যি আমার মনটা ভালো নাই- তোর কথাগুলি শুনে মনটা কিছুটা হলেও হালকা হয়েছে ।
কেন কী হয়েছে তোর? আবার শরীর খারাপ করে নাই তো?
না সে সব কিছু নয়-
তাহলে কী হয়েছে বলিস না কেন? বার বার জিজ্ঞাসা করতে আমার ভালো লাগে না – একদমে বলে ফেল এখনি – শঙ্করে ঘটনা খুলে বলতে বলতে চার্জ শেষ হয়ে মোবাইল অফ হয়ে গেল ।
হ্যালো হ্যালো --- হ্যা----লো- কী ব্যাপার- এদেখি কল দিয়ে আবার- ফোন বন্ধ- মনে হয় চার্জ নাই- কী যে করে! ঠিক মতো চার্জটা ও দিতে পারে না –
সন্ধ্যা কী মনে করছে আল্লাহ-ই জানেন- সেটা পরে দেখা যাবে কিন্তু অন্তরার সাথে কথা বলার ইচ্ছে যখন হল ঠিক তখনই চার্জ শেষ হয়ে গেল- কিন্তু সন্ধ্যার সাথে কথা না বললে এই ইচ্ছেটা জাগতো না- ৩০মিনিট মেনে নিতেই হচ্ছে । রাত আটটা বাজে মাত্র- অনেক সময় বাকী ১০টা বাজতে- যাই একটু হাটাহাটি করে আসি বাসার সম্মুখের রাস্তা দিয়ে । বাইরে বের হয়ে প্রথমে চুরোট নিলাম একটা- ধরিয়ে ইচ্ছে মতো টানার ইচ্ছে পূরণ করবো বলে-
হাওয়া বেশ ভালো লাগছে – মনে হচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা- শীতের পিঠা উৎসবের কথা মনে পড়তেই মনটা বেশ দুলে উঠলো আনন্দে- চুরোট আর শীত শীত অনুভব দুইয়ে মিলে ধূমপান সেই জমে ওঠছে- অন্তরা তোমায় ভাবতে বেশ ভালো লাগছে-
তোমার সেই গন্ধ মস্তিষ্কে রমরমা এখন-
নিঃশ্বাস ঘন হয়ে আসা, দিল তড়াপ রাহে-
কী মধু ক্ষণের প্রতীক্ষায় তন্ময় হৃদয়-
অঞ্জলি ভরে কখন দেবে প্রেম
উপচে পড়া হৃদয় ভরে-
সমস্ত রুক্ষতা ম্লান হয়ে তারই উপর
জেগে উঠছে প্রেমের জলরঙা প্রাসাদ ।
প্রাণে মোর মন জেগেছে সে যে মোর
অন্তরা- অন্তরা – ভালবাসার টানে ।


----- >>>>>> চলবে   >>>>