Home » » গায়ের জোরে ইনচার্জের চেয়ার দখলের চেষ্টায় থানায় অভিযোগ

গায়ের জোরে ইনচার্জের চেয়ার দখলের চেষ্টায় থানায় অভিযোগ

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 02 October, 2018 | 12:57:00 AM

আকাশ রহমান, বদরগঞ্জ প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওয়েব : সিরোটসি ট্রাষ্ট রংপুরের বদরগঞ্জ শাখায় একজন মাঠকর্মীর বিরুদ্ধে শাখা ইনচার্জের চেয়ার দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে বদরগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। ঘটনার পর থেকে সেখানে উত্তেজনা পরিস্থিতি বিরাজ করায় ঢিলেঢালা ভাবে চলছে ওই শাখার যাবতীয় কার্যক্রম। জানা যায়, সিরোটসি ট্রাষ্ট ক্ষুদ্র ঋণদান কর্মসুচী বদরগঞ্জ শাখায় দীর্ঘদিন ধরে শাখা ইনচার্জের দায়িত্ব পালন করে আসছেন নীলফামারী সদরের মোছাঃ আয়শা আক্তার। গত রবিবার সকালে ওই শাখার মাঠকর্মী মোছাঃ শাহানাজ বেগম, তার স্বামী আনোয়ার হোসেনসহ লোকজন সাথে নিয়ে শাখা অফিসে এসে নিজেকে এই শাখার ইনচার্জ বলে দাবী করে জোরপুর্বক ইনচার্জের চেয়ার দখলের চেষ্টা করেন। এ সময় বর্তমান শাখা ইনচার্জ ওই ঘটনার প্রতিবাদ করলে তাকে মারধরের ভয়ভীতি দেখানোসহ অফিসে তালা লাগানোর হুমকী দেয় তারা। এই ঘটনার পর শাখা ইনচার্জ মোছাঃ আয়শা আক্তার বদরগঞ্জ থানায় হাজির হয়ে শাহানাজ বেগমসহ ৪জন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগকারী মোছাঃ আয়শা আক্তার বলেন, সিরোটসি ট্রাষ্টের বদরগঞ্জ শাখার মাঠকর্মী মোছাঃ শাহানাজ বেগম এই শাখার ইনচার্জের দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়েছেন বলে গত রবিবার সকালে অফিসে এসে আমাকে আমার চেয়ার ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। অথচ, উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ এই ব্যাপারে আমাকে কোন প্রকার চিঠি বা টেলিফোনের মাধ্যমে অবগত করেনি। আমি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ ব্যতিরেখে কিভাবে তাকে চেয়ার ছেড়ে দেই? আমি তাকে চেয়ার ছেড়ে না দিলে তিনি আমাকে চাকরীচ্যুত করা সহ বদরগঞ্জ শহর থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার হুকমী প্রদান করেন। তিনি আরো বলেন, সিরোটসি ট্রাষ্ট দীর্ঘদিন ধরে রংপুর অঞ্চলের ২৪জন কর্মচারীর বেতন ভাতা বন্ধ রেখেছে। যার ফলে আমরা বেতন ভাতার জন্য নিয়মিত আন্দোলন করে আসছি। কিন্তু আমাদের মধ্যে বদরগঞ্জ শাখার মাঠকর্মী শাহানাজ বেগম, শাহিনা বেগম, শামছুল হক আমাদের কাছ থেকে আলাদা হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। বদরগঞ্জ শাখার অন্য একজন মাঠ সহকারী লাভলী বেগম বলেন, সিরোটসি ট্রাষ্ট আমাদেরকেই বেতন ভাতা দিতে পারছেনা। তার উপর আবার নতুন লোকজন নিয়োগ দিলে তাদেরকে বেতনভাতা দিবেন কীভাবে? এটি ঢাকা অফিসের জনৈক মহিলা কর্মকর্তার ফাজলামো ছাড়া আর কিছু নয়। আমরা বেতন ভাতার জন্য খুব শীগগরই উচ্চ আদালতে রিটপিটিশন দাখিল করব। তবে অভিযুক্ত মাঠকর্মী মোছাঃ শাহানাজ বেগমের স্বামী আনোয়ার হোসেনের স্বামী বলেন, আমার স্ত্রীকে এই শাখার ইনচার্জেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমার স্ত্রী তার বৈধ কাগজপত্র নিয়ে সেদিন অফিসে গিয়েছিল। কিন্তু তাকে অফিসে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। বদরগঞ্জের ওসি আনিছুর রহমান বলেন, সিরোটসি ট্রাষ্টের অভ্যন্তরিন ব্যাপার নিয়ে পুলিশের কিছুই করার নেই। তাদেরকে ইউএনও স্যারের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন।