Home » » পার্বতীপুরের মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি থেকে পাথর উত্তোলনে রেকর্ড

পার্বতীপুরের মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি থেকে পাথর উত্তোলনে রেকর্ড

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 03 September, 2018 | 11:47:00 PM

বদরুদ্দোজা বুলু, পার্বতীপুর প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওয়েব : এক যুগের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড গড়েছে দেশের উত্তরঞ্চলের দিনাজপুরের পার্বতীপুরের একমাত্র মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি থেকে পাথর উত্তোলনে একদিনে সর্বোচ্চ রেকর্ড করেছেন খনিটির ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জার্মানীয়া-ট্রেষ্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি)। গত ২ সেপ্টেম্বর সকাল ৭ টা থেকে আজ সোমবার সকাল ৭ টা পর্যন্ত একদিনে তিন শিফটে পাথর উত্তোলন করা হয়েছে প্রায় ৫ হাজার ৩ শত ২৭ মেট্রিক টন। যা পাথর খনির উত্তোলন প্রায় ১ যুগের ইতিহাসে একদিনে এত পরিমান পাথর উত্তোলন করতে পারেনি খনি কর্তৃপক্ষ। জিটিসি সূত্রে জানা যায়, বেলারুশিয়ান ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জিটিসি পাথর খনির দায়িত্বভার গ্রহন করে ২০১৪ ইং সালের ২০ ফেব্রুয়ারী পাথর উত্তোলন শুরু করে এবং উত্তোলন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রায় ৭ মাসের মাথায় খনি থেকে তিন শিফটে পাথর উত্তোলন শুরু করে। পাথর খনিতে তিন শিফট চালু করে প্রতিদিন পাথর উত্তোলন গড়ে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার টন ছাড়িয়ে যায়। কিন্তু খনির স্টোপ নির্মান এবং উন্নয়নের জন্য বিদেশী যন্ত্রপাতি এবং যন্ত্রংশের অভাবে জিটিসিকে প্রায় ২ বছর খনির উত্তোলন ও উন্নয়ন কাজ বন্ধ রাখতে হয় । জিটিসি পাথর খনির দায়িত্বভার গ্রহনের পুর্বে পাথর খনিতে তিন শিফটে উত্তোলন কোন রেকর্ড ছিলনা। খনির একটি সুত্র জানায় বিশ্বমানের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি এবং যন্ত্রাংশ আমদানীর পর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জিটিসি খনির নতুন স্টোপ নির্মাণ, উন্নয়ন ও পাথর উৎপাদনের কাজ একই সাথে চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিমাসে ১ লক্ষ ২০ হাজার মেট্রিক টন পাথর উত্তোলনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে জিটিসি’র বিদেশী খনি বিশেষজ্ঞ, দেশী প্রকৌশলী এবং প্রায় ৭ শত খনি কর্মী কাজ করে যাচ্ছেন। যারই চলমান উত্তোলন প্রক্রিয়ায় তিন শিফটে এক দিনে ৫ হাজার ৩ শত ২৭ মেট্রিক টন পাথর উত্তোলনে খনিটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিনত করতে জিটিসি আশার আলো দেখিয়েছে। উল্লেখ্য গত ২০০৭ সালের ২০ মে পার্বতীপুরে মধ্যপাড়া পাথর খনি বাণিজ্যিক উত্তোলনে যায়। তিন শিফটে প্রতিদিন সাড়ে ৫ হাজার মেট্রিক টন পাথর উত্তোলনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করে উত্তোলন শুরু করা হলেও প্রতিদিনি মাত্র এক শিফটে পাথর উত্তোলন সীমাবদ্ধ ছিল ৭ থেকে ৮ শত টনের মধ্যে। ফলে খনিটি প্রায় শত কোটি টাকা লোকসানের মুখে পড়ে। তবু জিটিসি সর্বাত্ত্বক সহযোগিতা করে খনিটিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানের জন্য পাথর উৎপাদনে এগিয়ে যাচ্ছে।