Home » , » চিলাহাটি রেলষ্টেশনের বুকিং ক্লার্ক সাময়িক অব্যাহতি

চিলাহাটি রেলষ্টেশনের বুকিং ক্লার্ক সাময়িক অব্যাহতি

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 29 August, 2018 | 11:25:00 PM

বখতিয়ার ঈবনে জীবন,স্টাফ রির্পোটার, চিলহাটি ওয়েব : টিকিট কালোবাজারি ও একই টিকিট দুই বার বিক্রির অভিযোগের কারনে চিলাহাটি ষ্টেশনের বুকিং সহকারী মোরশেদুল ইসলাম জনিকে পাকশী রেলওয়ে ডিভিশন থেকে এক আদেশে গত দুই দিন আগে সাময়িক অব্যাহতি দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। চিলাহাটি রেলষ্টেশন উত্তর বঙ্গের মধ্যে আলোচিত টার্মিনাল রেলষ্টেশন হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে। এখানে প্রতিদিন ৬ টি ট্রেন যাতায়াত করে। সেই হিসাবে প্রতিদিন চিলাহাটি থেকে দুই হাজার যাত্রী দেশের অভ্যন্তরে যাতায়াত করে। প্রতি মাসে চিলাহাটি রেলষ্টেশনে ৩০ থেকে ৪০ লক্ষ টাকার টিকিট বিক্রি হয়। এবারের ঈদের সময় তা বেড়ে গিয়ে ৫০ লাখে দাড়িয়েছে। বর্তমানে সিট ছাড়া নীলসাগর ট্রেনে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ টিকিট বিক্রি হচ্ছে এখানে ৪৯৫ টাকার টিকিট ৫০০ টাকা নেয়া হয়। চিলাহাটি থেকে ঢাকাগামী নীলসাগর ট্রেনে ৮৪ টিকিট বরাদ্ধ আছে। সেখানে অগ্রীম টিকিট দেওয়ার সময় মোরশেদুল ইসলাম জনি ৩০ থেকে ৪০ টি টিকিট বিক্রি করে টিকিট শেষ হয়েছে বলে কাউন্টার বন্ধ করে দেয়। আর এসি চেয়ার ৫ টি, এসি বাথ ২ টি ও প্রথম শ্রেণী বাথ ২ টি টিকিট কখন কিভাবে বিক্রি হয় তা কেউ জানে না। কোন সাধারণ যাত্রী ষ্টেশনে এসে এ সব টিকিট পাননা। বুকিং ক্লার্ক মোরশেদুল হক জনি দীর্ঘদিন ধরে টিকিট কালোবাজারির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ষ্টেশনে মাষ্টাররোলে থাকা কয়েক জন কর্মচারী তাকে টিকিট কালোবাজারি করতে সহায়তা করে বলে জানা গেছে। বুকিং ক্লার্ক প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ টি টিকিট কালোবাজারে বিক্রি করে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা আয় করে। চিলাহাটি রেলষ্টেশনে কোন সাধারণ যাত্রী টিকিট পাননা। একটি সিন্ডিকেট ঈদের মৌসুম ও অন্য সময় অগ্রীম টিকিট কেটে প্রতিদিন বেশী দামে বিক্রি করে থাকে যা নীলসাগর চালু হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত চলে আসছে। উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে স্থানীয় জনগণ বহুবার জানানোর পরও কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনি। এখানে এ ঈদের সময় ৪৯৫ টাকার টিকিট ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ব্যাপারে এস.এম হারুনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান যে টিকিট বিক্রির ব্যাপারটি সম্পূর্ন বুকিং ক্লার্ক নিয়ন্ত্রণ করে আমরা হস্তক্ষেপ করিনা।