Home » » কিশোরগঞ্জে ঋণের টাকা আত্মসাতে উপজেলা জুড়ে তোলপাড়

কিশোরগঞ্জে ঋণের টাকা আত্মসাতে উপজেলা জুড়ে তোলপাড়

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 13 August, 2018 | 11:23:00 PM

মিজানুর রহমান কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওয়েব : উত্তরাঞ্চলের দরিদ্রদের কমসংস্থান নিশ্চিত করন কর্মসূচীর ( উদকনিক) দ্বিতীয় পর্যায়ের উপকারভোগীদের সহি-স্বাক্ষর জাল করে তাদের নামে ঋণের টাকা উত্তোলন করে আতœসাৎ করেছে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তাসহ ওই অফিসের একাধিক কর্মকর্তা কমচারী। এ ব্যাপারে জেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্ত ভোগিরা। ঘটনাটি প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথে ব্যাপক তোলপার শুরু হয়েছে উপজেলা জুড়ে। অভিযোগ ও সরেজমিন পরিদর্শনে জানা গেছে, উত্তরাঞ্চলের দরিদ্রদের কমসংস্থান নিশ্চিত করন কর্মসূচীর (উদকনিক) আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে ৪৮ জন দরিদ্র মহিলাকে বিভিন্ন ট্রেডে ৬০দিন করে প্রশিক্ষন দেয়া হয়। প্রশিক্ষন শেষে প্রত্যককে ১৫ হাজার করে টাকা সুদ মুত্ত ঋন প্রদান করার কথা। কিন্তু পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান প্রজেক্ট ম্যানেজার রায়হান ও এ্যাকাউটেন্ট শাহাব উদ্দিন ৩০ জন প্রশিক্ষনাথীর নামে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঋণ বরাদ্দ করে। চলতি বছরের ৭ মার্চ ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে ৩০ জনের নামে ঋণ বিতরন দেখানো হয়। নিতাই তকেয়াপাড়া দল নেত্রী পরিবানু বানু বলেন আমার দলে ১০ জন সদস্য রয়েছে এদের প্রত্যেকের নামে ১৫ হাজার টাকা ঋণ বরাদ্দ করে আতœসাৎ করেছে ওই সব দূনীতিবাজ কর্মকর্তা কমচারীরা। চাঁদখানা মাঝা পাড়া দলের সেলাই প্রশিক্ষন গ্রহনকারী মোসলেমা বেগম,পারুল, সোনালী বেগম বলেন কবে কখন আমাদের নামে ঋন বিতরন করা হয়েছে এর কিছুই আমরা জানি না। আমাদের কোন কাগজে সহি-স্বাক্ষরও নেয়া হয়নি। কিন্ত জালিয়াতির মাধ্যমে আমাদের ঋণের টাকা উত্তোলন দেখানো হয়েছে। ভেড়ভেড়ী হাজির হাট দলের লতা বেগম, শিউলি বেগম, ছাবিনা বেগম তাদের নামে উত্তোলকৃত ঋনের টাকা না পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন আমাদের নামে ঋণের বোঝা চাপিয়ে দেয়া কর্মকর্তা গনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমানে সাথে কথা বললে তিনি বলেন এ বিষয়ে আমি কিছু জানিনা প্রজেক্ট ম্যানেজারকে বলেন। প্রজেক্ট ম্যানেজার রায়হানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার কথা। জেলা পল্লী উন্নিয়ন কর্মকর্তা আব্দুল হান্নানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে দূনীতিবাজ ব্যক্তি গনের বিরোদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।