Home » » পাগলাপীর সলেয়াসা ঠাকুরপাড়া হিন্দু পল্লীতে অগ্নিকান্ড

পাগলাপীর সলেয়াসা ঠাকুরপাড়া হিন্দু পল্লীতে অগ্নিকান্ড

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম News Editor : 07 July, 2018 | 10:26:00 PM

আকাশ রহমান, বদরগঞ্জ প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওয়েব : রংপুরের পাগলাপীর সলেয়াসা ঠাকুরপাড়া হিন্দু পল্লীতে আলোচিত অগ্নিকান্ডের ঘটনায় প্রশাসনকে সহযোগীতা করার অভিযোগ এনে বদরগঞ্জ পৌরশহরের এক ডিম ব্যবসায়ীর উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে সদর উপজেলার মমিনপুর এলাকার সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীরা। এব্যাপারে নুরুজ্জামান মিলন নামে ওই ডিম ব্যবসায়ী রংপুর কোতয়ালী থানায় এজাহার দায়ের করেন। এজাহার সুত্রে জানা যায়, রংপুরের পাগলাপীর ঠাকুরপাড়া হিন্দু পল্লীতে সম্প্রতিকালে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় সদর উপজেলার মমিনপুর মোক্তারপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল কাদেরের ছেলে সমাজসেবক নুরুজ্জামান মিলন একজন সচেতন নাগরিক হিসাবে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে পুলিশ প্রশাসকে সাহায্য ও তথ্য প্রদান করেছিলেন। এনিয়ে গত ৫জুলাই দুপুরে অগ্নিকান্ডের মামলার প্রধান আসামী প্রকৌশলী ফজলার রহমান প্রশাসনকে তথ্যদাতা মিলনকে মমিনপুর বাজারে একাকী পেয়ে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে তার উপর হামলা করে। এ সময় সন্ত্রাসীরা লোহার রড ও লাঠিসোটা দিয়ে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে জখম করে। এবং তার কাছে থাকা ১লক্ষ ২৫হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে স্থানীয় লোকজন মিলনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান মিলন বাদী হয়ে ফজলার রহমানসহ ৪-৫ ব্যক্তিকে আসামী করে রংপুর কোতয়ালী থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। এবিষয়ে এজাহারকারী বদরগঞ্জ পৌরশহরের মা ডিম ভান্ডার এন্ড পোল্ট্রি ফিড ব্যবসায়ী নুরুজ্জামান মিলন সাংবাদিকদের বলেন, পাগলাপীর ঠাকুরপাড়া হিন্দু পল্লীতে অগ্নিকান্ডের মুলহোতা মমিনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুলতানা আক্তার কল্পনার স্বামী প্রকৌশলী ফজলার রহমান ছিলেন হিন্দু পল্লীতে অগ্নিকান্ডের মুলহোতা। তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা হলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠায়। এদিকে তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পেয়ে এলাকায় এসে আমাকে প্রকাশে হত্যার হুমকী দেন, এবং আমাকে মামলায় ফাসানোর ভয় দেখান। ওই ঘটনার পর আমি কোতয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করি। যার নং-২৬৫। সাধারণ ডায়েরী করার পরদিন গত বৃহস্পতিবার আমি মমিনপুর বাজারে ডিম ব্যবসার টাকা কালেকশন করে বাড়ী ফেরার প্রস্তুতিকালে প্রকৌশলী ফজলার রহমান তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আমার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। স্থানীয় লোকজনের সহযোগীতায় আমি প্রাণে বেঁচে গেলেও ফজলার রহমানের ছেলে আকিব রহমান আমার ব্যবসাীক ১লক্ষ ২৫হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে। অন্যদিকে মমিনপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সবুজ মিয়া, ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আজম আলী সরকার, ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য দিপা রানী রায়সহ আরো অনেকে জানান, ফজলার রহমান জামিনে ছাড়া পেয়ে এলাকায় এসে আমাদেরকেও হুমকী দিয়েছেন। ফজলার রহমানের ধারনা আমরাও তার বিরুদ্ধে সেদিন পুলিশকে তথ্য দিয়েছিলাম। তবে অভিযুক্ত ফজলার রহমানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। রংপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) বাবুল মিয়া বলেন, বাদীর লিখিত এজাহারটি দেখেছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শেয়ার করুন :