Home » » এলাকার ও জনগনের উন্নয়নে সেবক হিসাবে কাজ করতে চান (অব:) লেঃ কর্ণেল তছলিম উদ্দিন

এলাকার ও জনগনের উন্নয়নে সেবক হিসাবে কাজ করতে চান (অব:) লেঃ কর্ণেল তছলিম উদ্দিন

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম Chilahati Web : 28 June, 2018 | 1:19:00 PM

আপেল বসুনীয়া,চিলাহাটি ওয়েব : লেঃ কর্ণেল মো: তছলিম উদ্দিন, পিএসসি, এমডিএস বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হতে ২০১৫ সালে অবসর গ্রহনের পর থেকেই তার চাকুরী জীবনের অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এলাকাবাসী ও দেশের কল্যানে কাজ করতে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হতে চান।
মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও উদ্দেশ্যের প্রতি অগাধ বিশ্বাস রেখে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কাঙ্খিত স্বপ্ন বাস্তবায়নে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও দিক নির্দেশনায় এলাকার সার্বিক উন্নয়ন এবং মানুষের জীবনে কল্যাণ নিশ্চিত করে সোনার বাংলা গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করাই তার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। তাই তিনি 
নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) নির্বাচনী আসনের সর্ব মহলের মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে শিক্ষা, সংস্কৃতি, প্রযুক্তি, মানব সম্পদ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র দুরীকরন এবং দূর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিদমন সহ দেশ ও জাতির সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চান। তিনি সেনাবাহিনী হতে অবসর গ্রহণের পর নিজেকে এলাকার মানুষের সেবক হিসাবে ডোমার ও ডিমলা উপজেলার বিশটি ইউনিয়ন এবং একটি পৌর সভার সর্ব মহলের কাছে ছুটে এসেছেন। তিনি অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়ে সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
একজন সুযোগ্য, সুদক্ষ, উদ্দ্যমী, সাহসী ও সহযোগী ব্যক্তি হিসাবে এলাকার সর্ব মহলের মানুষ তাকে আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে পেতে চায়। লেঃ কর্ণেল (অবঃ) তছলিম নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার খগাখড়ি বাড়ী ইউনিয়নের দোহল পাড়া গ্রামের আলহাজ্ব মো: ওমর আলী ও মোছা: সাহার বানুর পরিবারে ৩১শে ডিসেম্বর ১৯৬৫ তারিখে জন্ম গ্রহণ করেন। সহোদর আট ভাই ও চার বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। তার পরিবারের প্রায় সকলেই সামাজিকভাবে উচ্চ পর্যায়ের কর্মজীবি, প্রতিষ্ঠিত ও সাবলম্বী। তার সহর্ধমীনি অগ্রনী ব্যাংক লিঃ ঢাকা সেনানিবাসে সহকারী জেনারেল ম্যানেজার হিসাবে কর্মরত আছেন। তিনি দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জনক। ছাত্র জীবন থেকে তিনি ছিলেন মেধাবী, সহায়ক, ধার্মিক, উন্নয়নমুখী, সাহসী, পরিশ্রমী ও কল্যাণকামী ।
তিনি ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমী, ভাটিয়ারী চট্রগ্রামে জেন্টেলম্যান ক্যাডেট হিসাবে যোগদান করেন। ১৯৮৬ সালে সেনাবাহিনীর পদাতিক রেজিমেন্টে নিয়মিত কমিশন লাভ করেন।তিনি সেনাবাহিনীতে কর্মরত থাকা কালীন পার্বত্য চট্রগ্রামের বান্দরবন, রাঙ্গামাটি ও কাপ্তাই রিজিওনের বিভিন্ন পদাতিক ইউনিটের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সন্ত্রাস দমন অভিযানে নিয়োজিত ছিলেন। এছাড়াও তিনি সেনা সদর, এ্যাডজুটেন্ট জেনারেল শাখা, ঢাকা সেনানিবাস এবং রংপুর ও ঘাটাইল সেনানিবাসের দুটি পদাতিক ডিভিশন সদর দপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কর্মরত ছিলেন। তিনি কম্বোডিয়া ও আইভরী কোষ্টে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন। ২০০১ সালে ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড ও স্টাফ কলেজ, মিরপুর হতে পিএসসি ডিগ্রী অর্জন করেন এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় হতে ডিফেন্স স্টাডিজ এ মাস্টার্স (এমডিএস) ডিগ্রী লাভ করেন।
২০০৩ সালে পিস সাপোর্ট ট্রেনিং সেন্টার (পিএসটিসি) কিংস্টোন, কানাডায় অনুষ্ঠিত মিলিটারী অবজারভার কোর্স সম্পন্ন করেন।তিনি দীর্ঘ কর্ম ও চাকুরী জীবনের পর এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চান।তাই তিনি ডোমার-ডিমলার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে উন্নয়ন সহায়তা, প্রচারনামূলক ও জনসংযোগ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তিনি ধর্ম-বর্ণ, দল-মত নির্বিশেষে সবার সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন।
শেয়ার করুন :