Home » » দিনাজপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২ জিএম দুর্নীতিবাজদের না সাধারন গ্রাহকের?

দিনাজপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-২ জিএম দুর্নীতিবাজদের না সাধারন গ্রাহকের?

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 30 June, 2018 | 11:29:00 PM

আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওয়েব : দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর বর্তমান জিএম সন্তোষ কুমার সহার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, গ্রাহক হয়রানী, দুর্ব্যবহার, পক্ষপাতমূলক কর্মকান্ডে ছয় উপজেলার গ্রাহকদের প্রশ্ন জিএম সন্তোষ সাধারন গ্রাহকদের নাকি শুধু দুর্নীতিবাজদের। বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির ধারাবাহিকতায় গত এপ্রিল মাসে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে গ্রাহকদের তের বছর আগের ভুতুড়ে বিল পরিশোধের নোটিশ দেয়। তা না হলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশ উল্লেখ করেন। এ নিয়ে গ্রাহকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে পড়লে এবং গ্রাহকদের অভিযোগ জেলা প্রশাসক ক্ষুব্ধ হলে বিষয়টি চেপে যান জিএম সন্তোষ। এ মাস থেকে জিএম সন্তোষ বকেয়া আদায় এবং সংযোগ বিচ্ছিন্ন কার্যক্রম শুরু করেছেন জিএম সন্তোষ। কিন্তু ভুক্তভোগী গ্রাহক ও সচেতন এলাকাবাসীর অভিযোগ এতেও হচ্ছে পক্ষপাতিত্ব। যে সব গ্রাহক নিরহ তাঁদের উপর চলছে নিয়মের খড়ক আর যারা ম্যানেজ করতে পারছে কিছুই হচ্ছেনা তাদের । অভিযোগে জানা যায়, বিরামপুর পৌর শহরের পুরাতুন বাজার মহল্লার বাবা ওয়েল মিল দীর্ঘদিন থেকে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই আবাসিক এলাকার পাশে শুকনো মরিচ ভাঙা শুরু করে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর অভিযোগ পূর্ববর্তী জিএম আব্দুর রাজ্জাক বাবা ওয়েল মিলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। সেই সাথে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া বিদ্যুৎ সংযোগ না দিতে নোট দেন। কিন্তু সন্তোষ কুমার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এ যোগদান করার পর ওই মিলে সকল প্রকার নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে উঠেপড়ে লাগেন। তথ্য অধিকার আইনে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এ আবেদনে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী দেখা গেছে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া শুধু মাত্র মুচলেকা নিয়ে ২০১৭ সালের ২০ মার্চ বিদ্যুৎ সংযোগ দেন। মুচলেকায় আ. ছামাদ উল্লেখ করেন যে আগামী ছয় মাসের মধ্যে পরিবেশ ছাড়পত্র পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এ জমা করবে। কিন্ত অদ্যবধি পরিবেশ ছাড়পত্র দিনের পর দিন শুকনো মরিচ ভেঙ্গে পরিবেশ দুষণ করার বিষয়ে জিএম সন্তোষ কুমার সাহাকে মুঠোফোনে জানানো হলেও এবং এজিএম আব্দুল খালেক (ইএনসি) নিজে এসে শুকনো মরিচ ভাঙার প্রমাণ পেয়ে নোট দিলেও জিএম সন্তোষ কুমার রহস্যজনক কারনে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। অবশেষে এক প্রকার বাধ্য হয়ে ২৮ জুন বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য বাবা ওয়েল মিলকে নোটিশ দেন। নির্ভরযোগ্য সূত্র মতে সংযোগ বিচ্ছিন্নের নোটিশ দিলেও জিএম বাবা ওয়েল মিলের মালিকের ছেলেকে বুদ্ধি দেয় যে, এমপিসহ আওয়ামীলীগের নেতারা জিএমকে যেনো সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বাঁধা দেন। তাহলে তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করবেন না। গত ২৮ জুন সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করলে মুঠোফোনে জিএম সন্তোষের সাথে যোগাযোগ করা হলে জিএম সন্তোষ জানায় যে, এমপি নিষেধ করেছে তাই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করিনি। এ বিষয়ে এমপি শিবলী সাদিকের সাথে যোগাযোগ করা হলে এম,পি শিবলী সাদিক জানান যে, তিনি জিএমকে এ ধরনের কোন নিষেধ করেন নি। জিএম মিথ্যা কথা বলেছেন।