Home » » কিশোরগঞ্জে শেষ পর্যন্ত আতুর ঘরেই আটকা পড়ল তদন্ত কমিটি

কিশোরগঞ্জে শেষ পর্যন্ত আতুর ঘরেই আটকা পড়ল তদন্ত কমিটি

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 27 June, 2018 | 11:50:00 PM

মিজানুর রহমান, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি,চলিাহাটি ্ওয়বে : আতুর ঘরেই আটকা পড়ল তদন্ত কমিটি। শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ আর দেখলোনা। নীলফামারীর কিশোরঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাফিজার রহমানের বিরোদ্ধে ভিজিএফ চাল বিক্রির অভিযোগ করেছিল ১ও২ নম্বর ওয়ার্ড সদস্যরা। এব্যাপারে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা দুই সদস্য বিশিষ্ঠি তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছিলেন। এছাড়াও নয়াদিগন্তসহ কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে খবরও প্রকাশিত হয়েছিল। অভিযোগে জানা গেছে, চাঁদখানা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাফিজার রহমান গত ঈদ উল-ফিতর উপলক্ষে ৬৩দশমিক ২০ মেট্রিকটন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ পান। বরাদ্দের বিপরিদে মাথাপিছু ১০ কেজি করে চাল বরাদ্দ ধরে ৬ হাজার ৩০২ জন দঃস্থ্য মানুষের তালিকা প্রনয়ন করা হয়। এজন্য ভোটার সংখ্যা অনুপাতে ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডে ১ হাজার ৭০২ জন দঃস্থ্য মানুষের তালিকা করা হয়। গত ২৫ জুন চেয়ারম্যান হাফিজার রহমান চাপের মুখে মাত্র ৩৫০ জন দুঃস্থ্যের মাঝে চাল বিতরন করে অভিযোগ করেছেন সদস্য দ্বয়। ১ ও ২নম্বও ওয়ার্ড সদস্য লুৎফর রহমানও আবুজার রহমান বলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাকে তদন্তর নিদ্দের্শ দেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা দ্বয় তদন্ত না করে চেয়ারম্যানের চাল বিক্রির ঘটনাটিকে ধামাচাপা দিয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোফাখখারুল ইসলাম বলেন অভিযোকারী মেম্বার দ্বয়ের সাথে চেয়ারম্যানের আপস রফা করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু ১ হাজার ৭০২ জন দুঃস্থ্যের মধ্যে ৩৫০ দুঃস্থ্য চাল পেল বাকিরা চাল পায়নি প্রশ্ন করা হলে এর যথাযথ উত্তর তিনি দিতে পারেননি। চেয়ারম্যান হাফিজার রহমানের কথা বললে তিনি বলেন মেম্বার দ্বয়ের সাথে আপস করেই চাল বিতরন করা হয়। নবাগত উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন আমি এই উপজেলার আসার তিন দিন হলাম। বিষয়টির খোজ খবর নিয়ে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।