Home » » দশমাইল হাইওয়ে পুলিশের তৎপরতায় সৈয়দপুর-দিনাজপুর মহাসড়কে কমেছে দূর্ঘটনা

দশমাইল হাইওয়ে পুলিশের তৎপরতায় সৈয়দপুর-দিনাজপুর মহাসড়কে কমেছে দূর্ঘটনা

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম News Editor : 22 June, 2018 | 10:32:00 PM

এম এ মোমেন, নীলফামারী ব্যুরো,চিলাহাটি ওয়েব : ঈদ যাত্রায় হাইওয়ে পুলিশের তৎপরতায় দুর্ঘটনা ও প্রাণহানী কমেছে মহাসড়কে। গতিসীমা লঙ্ঘন করা গাড়ির পাশাপাশি থ্রি হুইলার, ব্যাটারিচালিত এবং শ্যালোমেশিন চালিত নছিমন, করিমন, ভটভটি ও শব্দ দূষণকারী হাইড্রোলিক হর্ণের বিরুদ্ধেও অভিযান চালাচ্ছে তারা। ফলে গত কয়েক মাসে মহাসড়কে দুর্ঘটনায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। মহাসড়কে নির্বিঘেœ যান চলাচলে তৎপর রয়েছে সৈয়দপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের দশমাইল হাইওয়ে থানা। ব্যস্ততম সৈয়দপুর-দশমাইল মহাসড়কে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটতো। যানবাহনের অতিরিক্ত গতির কারণে এসব দুর্ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। রাবেয়া মিল এলাকার বাসিন্দা নুরুল আমিন জানান, ছোটখাটো যানবাহনের কারণে আগে মহাসড়কে প্রায় প্রতিদিনই দুর্ঘটনা ঘটতো। হাইওয়ে পুলিশের নিয়মিত অভিযানের কারণে ওইসব যানবাহন লাপাত্তা হয়েছে মহাসড়ক থেকে। তাছাড়া অতিরিক্ত গতিসম্পন্ন গাড়িগুলোকে স্পিডগান দিয়ে পরীক্ষা করার কারণে দূর্ঘটনার ঝুঁকি কমেছে। ফলে গত কয়েক মাসে মহাসড়কে উল্লেখযোগ্য কোনো দুর্ঘটনা কিংবা প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। চম্পাতলীতে স্থাপিত দশমাইল হাইওয়ে থানা সূত্রে জানা গেছে, ৫১ কিলোমিটার মহাসড়ক কর্মএলাকায় ৩১জন জনবল নিয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছে দশমাইল হাইওয়ে থানা। গত কয়েক মাসে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে ৪৪৩ টি মামলা দায়ের হয়েছে। চম্পাতলী এলাকার বাসিন্দা আনিসুল হক বলেন, হাইওয়ে পুলিশের তৎপরতার কারনে এবারে ঈদে নির্বিঘেœ যানবাহন চলাচল করেছে। ফলে দশমাইল হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির আওতায় ৫১ কিলোমিটার সড়ক পথে কোন দূর্ঘটনা ঘটেনি। এ ছাড়া দিনের বেলা হাইওয়েতে আর আগের মতো নসিমন, করিমন, ভটভটিও চোখে পড়ে না। অফিসার্স ইনচার্জ আব্দুল মালেক বলেন, সৈয়দপুর-দশমাইল মহাসড়কে নিরাপদ গতিসীমা ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার। কিন্তু সড়কটি খুবই ভালো, তাই গতি বাড়িয়ে দেয় চালকরা। এছাড়া অভারটেকিং মানসিকতা, থ্রি-হুইলার, অসতর্কতার সঙ্গে পথচারী পারাপারের ফলেও ঘটে দুর্ঘটনা ঘটে। গতিসীমা ৮০ কিলোমিটার অতিক্রম করলে সেই গাড়ি বা চালকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। আর এর চেয়ে নিচে ৭০ কিলোমিটার গতি থাকলে তাদের থামিয়ে সতর্ক করে দেওয়া হয়। এ ছাড়া হাইড্রোলিক হর্ন থাকলে তা খুলে নেওয়া হচ্ছে। থ্রি-হুইলার, ব্যাটারিচালিত এবং শ্যালোমেশিন চালিত নছিমন, করিমন, ভটভটি জব্দ করাসহ তাদের বিরুদ্ধেও অভিযান চালানো হচ্ছে। অতিরিক্ত মাল কিংবা পাথড় বোঝাই ট্রাকের বিরুদ্ধে মামলাসহ জরিমানা আদায় করা হচ্ছে।
শেয়ার করুন :