Home » » বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক ও ক্ষতিগ্রস্থদের সমন্বয় কমিটির আন্দোলন ঘোষণা

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক ও ক্ষতিগ্রস্থদের সমন্বয় কমিটির আন্দোলন ঘোষণা

বদরুদ্দোজা বুলু,পার্বতীপুর প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওয়েব : পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের ১৩ দফা ও ক্ষতিগ্রস্থ ২০ গ্রামের সমন্বয় কমিটির ৬ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে যৌথভাবে গতকাল শনিবার ১২ই এপ্রিল সকাল ১১টায় আন্দোলনের ঘোষণা করা হয়। আন্দোলন ঘোষণাকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের প্রধান উপদেষ্টা ও পার্বতীপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব হাফিজুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের উপদেষ্টা ও পার্বতীপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ: সাধারণ সম্পাদক মোঃ আমজাদ হোসেন। তারা বলেন, শ্রমিকদের ১৩ দফা দাবি ও খনির ক্ষতিগ্রস্থ ২০ গ্রামের সমন্বয় কমিটির ৬ দফা দাবির বিষয়ে আমরা খনি কর্তৃপক্ষকে জানাবো। তারা যদি এদের ন্যায্য দাবি ১২ তারিখের মধ্যে মেনে না নেয় তাহলে আগামী ১৩ই মে সকাল ৬টা থেকে অনির্দিষ্ট কালের ডাকা ধর্মঘটে যেতে আমরাও বাধ্য হবো। এ সময় বক্তব্য রাখেন বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ রবিউল ইসলাম (রবি)। তিনি বলেন, আগামি ১২ই মে এর মধ্যে আমাদের দাবি মেনে না নিলে ১৩ই মে সকাল ৬টা থেকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামবাসীর সমন্বয় কমিটি ও খনির শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন যৌথভাবে আন্দোলনে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটে যেতে বাধ্য হবো। তিনি আরো বলেন, খনি কর্তৃপক্ষ ৯ মাস সময় নিয়েছিল। কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে আমাদের দাবি দাওয়া মেনে নেয়নি। আমাদের সাথে প্রতারণা করেছে। তাই আজ দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। আন্দোলন ছাড়া দাবি আদায় কোন ভাবে সম্ভব নয়। খনি এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ ২০ গ্রামের সমন্বয় কমিটির আহবায়ক মোঃ মশিউর রহমান বুলবুল তিনি তার বক্তব্যে বলেন, কয়লা খনি কর্তৃপক্ষকে বহুবার ৬দফা দাবি বাস্তবায়নে কয়েকবার লিখিতভাবে ও বৈঠককরে দাবি আদায়ের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু খনি কর্তৃপক্ষ বারবার তালবাহানা করে। ফলে আমাদের দাবি আদায়ে আন্দোলন ছাড়া কোন বিকল্প নেই। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির প্রধান গেটে কর্মসূচি ঘোষণাকালে বক্তব্য রাখেন বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু সুফিয়ান, সাবেক সভাপতি মোঃ ওয়াজেদ আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ নূর ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ লিটন হোসেন, ক্ষতিগ্রস্থ ২০ গ্রামের সমন্বয় কমিটির মোঃ মিজানুর রহমান, সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ জাবেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নুরুল ইসলাম, খনি এলাকায় বিশিষ্ট্য ব্যবসায়ী মোঃ আনোয়ার হোসেন। এদিকে আন্দোলন কারীরা আন্দোলনের প্রস্তুতি নিয়ে আলটিমেটাম ঘোষণা করে। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক ইউনিয়নে ১৩ দফা ও খনির ক্ষতিগ্রস্থ ২০ গ্রামের সমন্বয় কমিটির ৬ দফা দাবি খনি কর্তৃপক্ষ মেনে না নিলে ১৩ তারিখ থেকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য ধর্মঘট ঘোষণার ডাক দেন।
শেয়ার করুন :