Home » » নির্মম বাস্তবতা (ছোট গল্প)

নির্মম বাস্তবতা (ছোট গল্প)

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 30 May, 2018 | 12:21:00 AM

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

॥ আব্দুল মান্নান মিরাজ ॥ 

রূপে রূপবতী কন্যা যেমন চেহারা তেমন কুকিলের মত কণ্ঠ তার। খুব গরীব ঘরের মেয়েটি, কাউকে বুঝতে দিতোনা তার সত্যিকার পরিচয়,মেয়েটি একটু অন্য মেয়েদের থেকে আলাদা চলাফেরা সব কিছুতেই। 
নাম:মুন্নি চট্টগ্রাম বন্দরনগরীতে একটা পরিবারের সাথে থাকতো, সমাজ ও পরিবারের চোখ ফাকি দিয়ে মেয়েটি যে সব কাজ করতো তা আপন বলতে কেউ জানতো না তার,মেয়েটি মার্কেটিং করতে বেশি পছন্দ করতো সব সময় নতুন নতুন সাজে নিজেকে দেখতে খুব ভালোবাসে তার জীবন টা ছিলো বিলাসিতায় ভরপুর, ঠিক বড় লোকের মেয়েদের মতই,মেয়েটির একটা অভ্যাস ছিলো কোন ছেলে দেখলে একটু ছলনার ফাঁদে ফেলে কিছু টাকা হাতিয়ে নেওয়া। 
ছেলেদের সাথে প্রেমের অভিনয় করে পার্কে পার্কে গোরা তার পর হঠাৎ ছেলেটিকে কোন একটা অজুহাত দেখিয়ে বলে তুমি আমাকে ভুলে যাও আমার পরিবার তোমাকে মেনে নিবেনা। এসব কথা বলে সরে যায় ঐ ছেলেটির কাছ থেকে, এর পর আবার নতুন কোন মুখের সন্দানে গুরে বেড়ায়। মেয়েটি যে বাসায় থাকতো সেই বাসার লোক যাকে মেয়েটি আপা ভাইয়া বলে ডাকে।তারা মেয়েটিকে দিয়ে রাতের আঁধারে দেহব্যবসা করাতো,মেয়েটির নিজ ইচ্ছা কৃতভাবে। কারণ মেয়েটির পরিবারের মাসে ১৫হাজার টাকার উপরে খরচা হয়।
ছোট ভাই বোন পড়া লেখা খরচ চালাতে হয়, তার বাবা অসুস্ত গ্রামে চাষের কাজ করে তেমন কাজ করতে পারেনা।, খুব কষ্ট করে তেমন ইনকাম ও হয় না।আর তাই মেয়েটি গার্মেন্টস চাকরি করার নাম করে এসে, জড়িয়ে পড়ে দেহব্যবসার কাজে, কিন্তু কখনো বাড়িতে কেউ জানে না,মুন্নি: কি কাজ করে শহরে, প্রতি মাসে মাসে এত বড় অংকের টাকা কি করে পাঠায় বাড়িতে। শুধু জানেন মেয়েটি গার্মেন্টস চাকরি করে, মুন্নির:অসৎ পথে ইনকাম করা টাকা দিয়ে খুব সুন্দর ভাবে চলে যাচ্ছে তার পরিবার ছোট ভাই বোনের পড়া লেখা, ছোট একটা মাঠির ঘর ছিলো আজ বিরাট টিনের ঘর, খাট পালং ইত্যাদি আসবাপত্র সব কিছু দিনে দিনে যেনো বদলে গেছে, মাত্র ৩ বছরের মাথায়।
সকলের মুখে হাঁসি ফোটাতে মেয়েটি, কত গুলো ছেলের জীবন নষ্ট করলো, নষ্ট করলো নিজের জীবন।
শেষ করলো নারীর সব চাইতে মূল্যবান সম্পদ তার ইজ্জত।যা কখনো আর ফিরে আসবেনা তার কাছে।মুন্নি:এখনো পরিবারের মুখে হাঁসি ফোটাতে ছুটে যাচ্ছে দুর হতে বহুদুরে, যে পাখি জানেনা কোথায় তার আপন ঠিকানা?, 
ছোট একটা মাঠির ঘর ছিলো আজ বিরাট টিনের ঘর, খাট পালং ইত্যাদি আসবাপত্র সব কিছু দিনে দিনে যেনো বদলে গেছে, মাত্র ৩ বছরের মাথায়।সকলের মুখে হাঁসি পোটাতে মেয়েটি, কত গুলো ছেলের জীবন নষ্ট করলো, নষ্ট করলো নিজের জীবন। 
শেষ করলো নারীর সব চাইতে মূল্যবান সম্পদ তার ইজ্জত।
যা কখনো আর ফিরে আসবেনা তার কাছে।
মুন্নি:এখনো পরিবারের মুখে হাঁসি ফোটাতে ছুটে যাচ্ছে দুর হতে বহুদুরে, যে পাখি জানেনা কোথায় তার আপন ঠিকানা? 

=====সমাপ্ত=====