Home » » কিশোরগঞ্জে এবতেদায়ী মাদ্রাসার সভাপতির বিরোদ্ধে অনিয়ম ও দূনীতির অভিযোগ

কিশোরগঞ্জে এবতেদায়ী মাদ্রাসার সভাপতির বিরোদ্ধে অনিয়ম ও দূনীতির অভিযোগ

মিজানুর রহমান কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওয়েব : নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার উত্তর সিঙ্গেরগাড়ী জুম্বাপাড়া স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতির বিরোদ্ধে নানা অনিয়ম ও দূনীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ ও সরেজমিন গিয়ে জানা গেছে , মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফজলুল হক এবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয় করন করা হবে। জানতে পেরে গোপনে তড়িঘড়ি করে নিজ স্ত্রী আপন ভাতিজা দেরকে নিয়ে একটি অবৈধ কমিটি গঠন করেম এবং প্রধান শিক্ষকসহ ৩ জন শিক্ষক শিক্ষিকা নিয়োগ প্রদান করে। এর মধ্যে রয়েছে তার ছেলে হোসেন আলী ও ছেলের বউ রোজিনা খাতুন। অপর দুজন শিক্ষকের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে তাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এখানে মজার বিষয় হচ্ছে, প্রধান শিক্ষক আশরাফুজ্জামানের নিয়োগ তারিখ ২০/১২/২০০১ এবং যোগদানের তারিখ হচ্ছে ২১/১২/২০০১ আবার ওই তারিখে তার জুনিয়র মৌলভী মহব্বত হোসেনকে নিয়োগ দেখানো হয়েছে। মহব্বত হোসেনএর নিয়োগে পত্রে একই দিনে প্রধান শিক্ষক সত্যায়িত করে। ওই মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষক আব্দুর রহমান ও এলাকাবাসি অভিযোগ করে বলেন সভাপতি ফজলুল হক মাদ্রাসার যে স্থাবর সম্পত্তির কাগজে কলমে দেখিয়েছেন তাহা একটি ময়দানের জমিবলে অভিযোগকারী দাবি করেন। অভিযোগ কারি সাবেক শিক্ষক ও জমিদাতা অব্দুল রহমান বলেন উপজেলা মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদ্ব্য়কে লিখিতে অভিযোগ দিয়েও তারা কোন ব্যাবস্থা নেয়নি। এব্যাপারের সভাপতি ফজলুর হকের সাথে কথা বললে তিনি এসব বিষয় অস্বীকার করেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন প্রতিবেদন পাঠানোর সময় প্রতিটি ইবতেদায়ী মাদ্রাসার কাগজ পত্র খুটিয়ে খুটিয়ে দেখার পর প্রতিবেদন দেয়া হবে।এবং যেসব প্রতিষ্টানের কাগজপত্র অসম্পূর্ন পাওয়া যাবে সে প্রতিষ্টানের প্রতিবেদন দেয় হবে না।
শেয়ার করুন :