Home » » চিরিরবন্দরে বন্যায় ভেঙ্গে যাওয়া ব্রিজ নির্মান না হওয়ায় পাঁচ গ্রামের মানুষ ভোগান্তিতে

চিরিরবন্দরে বন্যায় ভেঙ্গে যাওয়া ব্রিজ নির্মান না হওয়ায় পাঁচ গ্রামের মানুষ ভোগান্তিতে

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম News Editor : 10 April, 2018 | 12:31:00 AM

দেলোয়ার হোসেন বাদশা, চিরিরবন্দর প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওয়েব : দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে বেলতলী-নবীপুর পাঁকা সড়কের মরা ইছামতি নদীর উপর স্থাপিত ব্রিজটি গত বছরের আগষ্ট মাসের ভয়াবহ বন্যায় ভেঙে পড়লেও আট মাসেও সংস্কার কাজ শুরু না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে চিরিরবন্দর উপজেলা সদরসহ পাঁচ গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ। নবীপুর এলাকার স্থানীয়রা জানান, উপজেলার আব্দুলপুর ইউনিয়নের বেলতলী বাজার থেকে নবীপুর গ্রামের দেড় কি:মি পাঁকা সড়কের মরা ইছামতি নদীর উপর স্থাপিত ব্রিজটি গত বছরের আগষ্ট মাসের বন্যার পানির তোড়ে ভেঙ্গে পড়ায় নবীপুর, মহিষমারী, হোসেনপুর, খয়জাপুর ও মোস্তাফাপুর গ্রামের বাসিন্দারা ভারী কোন যানবাহন ব্যবহারে প্রায় ৫ কি:মি পথ ঘুরে চিরিরবন্দর উপজেলা সদরসহ জেলা শহরে যাতায়াত করছে। সরেজমিন দেখা গেছে, ব্রিজটি পুরো অংশ ভেঙে পড়েছে। স্থানীয় লোকজন নিজ উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে ভাঙা ব্রিজটির উপর দিয়ে চলাচল করছে। এছাড়া স্থানীয় হাট-বাজারে পণ্য পরিবহন ও সরবরাহে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। নবীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ জানান, বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচলে ঝুঁকিতে পড়েছে নবীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নবীপুর হাইস্কুলের স্কুলপড়ুয়া ছাত্রছাত্রীসহ পাঁচ গ্রামের বাসিন্দা। এছাড়া ভারী যানবাহনসহ জরুরি প্রয়োজনে অ্যাম্বুলেন্স এমনকি কোনো গাড়ি ওই পাঁচ গ্রামে ঢুকতে পারছেনা। আব্দুলপুর ইউপি চেয়ারম্যান ময়েন উদ্দিন শাহ্ বলেন, প্রতি বছর বর্ষার সময় ব্রিজটিতে পানি তোড় অনেক বেশী হয়। তাই এবার ব্রিজটি একটু বড় করে নির্মান করার কথা আছে বলে ব্রিজটি নির্মানে একটু দেরি হচ্ছে। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো: ফিরোজ আহমেদ বলেন, বন্যার কারণে ভেঙে যাওয়া ব্রিজটি নির্মাণের ডিজাইনসহ চাহিদাপত্র সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। পাশ হয়ে আসলেই বাস্তবায়ন করা হবে।
শেয়ার করুন :