Home » , » ডিমলায় ডায়াবেটিসের যাদুকরি ঔষধ আবিস্কার

ডিমলায় ডায়াবেটিসের যাদুকরি ঔষধ আবিস্কার

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 25 January, 2018 | 4:25:00 PM

মাজহারুল ইসলাম লিটন,ডিমলা প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওয়েব : নীলফামারীর ডিমলায় ডায়াবেটিসে’র যাদুকরি ঔষধ আবিস্কার করেছে এক ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তি। মাত্র ১৫ দিনেই যাদুর মত র্নিমূল হবে ডায়াবেটিস।
উপজেলা সদরের আলম ফিলিং ষ্টেশনের ১০০ পশ্চিমে মৃত তাইজুদ্দিনের ছেলে ডায়াবেটিস রোগি মোজাম্মেল হক সর্দার(৪৮) আবিস্কার করেছেন এই যাদুকরি ঔষধ।
সর্দার চিলাহাটি ওয়েব ডটকমকে বলেন, ৫ বৎসর যাবত আমি নিজেই ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত ছিলাম। এবং দেশের অনেক নামী দামী ডাক্তারের চিকিৎসা নিয়েছি। কিন্তু ডায়াবেটিস নির্মূল করতে পারিনি। ডাক্তারী ঔষধ খেয়ে মাত্রা কিছুটা কমলেও ঔষধ খাওয়া বন্ধ করলেই তা আবার বেড়ে যায়। তখন আমি নিজেই বিভিন্ন গাছের লতা পাতা পাতার রস খাওয়া শুরু করে। এই যাদুকরি গাছের সন্ধান পেয়েছি। মাত্র ১৫ দিন একটানা সেই গাছের পাতার রস খেয়ে পরীক্ষাগারে গিয়ে ডায়াবেটিস পরীক্ষা করে বুজতে পারলাম আমার ডায়াবেটিস ১৯ পয়েন্ট হতে ৬ পয়েন্টে নেমে এসেছে। এবং পরবর্তিতে আমি ডাক্তারী ঔষধ খাওয়া একবারেই ছেড়ে দেই। বর্তমানে আমার ডায়াবেটিস একেবারেই নির্মূল এবং নিয়ন্ত্রনে। আমি সুস্থ্য হওয়ার পর হতে কয়েক জন ডায়াবেটিস রোগিকে সেই গাছের পাতার রস দিয়েছি। এবং তারা সেই পাতার রস খেয়ে পুরোপুরি সুস্থ্য হয়েছে।
ডিমলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ডায়াবেটিস রোগি মাজহারুল ইসলাম লিটন চিলাহাটি ওয়েব ডটকমকে বলেন, আমি মোজাম্মেল হকের তৈরী গাছের পাতার রস খেয়ে পুরোপুরি সুস্থ্য হয়েছি। আমার ডায়াবেটিসের মাত্রা ছিলো ১৯.৭ আমি ডাক্তারী চিকিৎসা করেছি ৯ মাস। ডাক্তারের ঔষধ খেয়ে আমার ডায়াবেটিসের মাত্রা ছিলো ৯/১০। আর সর্দারের দেয়া গাছের পাতার রস খেয়ে ডায়াবেটিস ৬ নেমে এসেছে। আমি এখন ডায়াবেটিস মুক্ত। ডিমলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোফাচ্ছেল হোসেন চিলাহাটি ওয়েব ডটকমকে বলেন,আমি একজন ডায়াবেটিস রোগি দির্ঘ ১৭ বৎসর যাবত আমি ডায়াবেটিসে ভুগছি। সর্দারের গাছের পাতার রস খেয়ে আমি এখন পুরোপুরি সুস্থ্য। আমার ডায়াবেটিস এখন নিয়ন্ত্রনে। সর্দারের কাছে ওই পাতার গাছের নাম জানতে চাইলে তিনি চিলাহাটি ওয়েব ডটকমকে বলেন,আমার নিকট ডায়াবেটিসের রোগি এলে,আমি সেই গাছের পাতা এনেদেই গাছের নাম বলিনা।
এই পাতার বিনিমরয় টাকা পয়সা লেনদেনের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি চিলাহাটি ওয়েব ডটকমকে বলেন,আমি ইচ্ছে কওে কারো নিকট টাকা নেই না। তবে কেই নিজ ইচ্ছায় দিতে চাইলে নেই। আমার ইচ্ছা শুধু আমার দেয়া গাছের পাতার রস খেয়ে ডায়াবেটিস রোগিদের সুস্থ্য করা। রোগি সুস্থ্য হয়েছে শুনলেই আনন্দে আমার বুক ভড়ে যায়। আমি ডাক্তার কি!বা কবিরাজ নই। তবুও আমার দেয়া গাছের পাতার রস খেয়ে রোগিরা যখন সুস্থ্য হয় তখন আমার খুব ভাল লাগে। আমি যতদিন বেচে থাকবো ডায়াবেটিস রোগিদের বিনামুল্যে এই চিকিৎসা করে যাব।