Home » » বদরগঞ্জে ট্রান্সফর্মা মেরামতের নামে গ্রাহক হয়রানী

বদরগঞ্জে ট্রান্সফর্মা মেরামতের নামে গ্রাহক হয়রানী

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম : 31 May, 2017 | 3:54:00 PM

আকাশ রহমান, বদরগঞ্জ প্রতিনিধি, চিলাহাটি ওয়েব : রংপুরের বদরগঞ্জে পল্লী বিদ্যুত অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নতুন করে গ্রহক হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে। 
উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের সোনারপাড়া গ্রামের একটি ট্রান্সফর্মা মেরামতের নামে অফিসে জমা করার অর্ধমাস পেরিয়ে গেলেও সেটি এখনো মেরামত করা হয়নি। গ্রাহকরা দিনের পর দিন জোনাল অফিসে ধর্না দিয়েও পুনঃরায় বিদ্যুত সংযোগ না পেয়ে চাপা ক্ষোভে ফেটে পড়েন।  বুধবার সোনারপাড়া গ্রামের ভুক্তভোগী বিদ্যুত গ্রাহক জেসিম সোনার (৩৮) বলেন, গত ১৫মে/১৭ইং বদরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুত অফিসের জনৈক কর্মকর্তা ও লাইনম্যান রাশেদুল ইসলাম মেরামতের নামে আমাদের গ্রামের ট্রান্সফর্মাটি খুলে নিয়ে যায়। তারপর থেকে আমরা গ্রামবাসী বিদ্যুত বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছি। এমতাবস্থায় লাইনম্যান রাশেদুল ইসলামকে ফোন দিলে তার স্ত্রী ফোন রিসিভট করে বলেন আমার স্বামী এখন বাড়ীতে নেই। এছাড়াও ডিজিএমকে শওকত হোসেনকে ফোন দিলে তিনি অফিসে যোগাযোগ করতে বলেন। কিন্তু আমরা অফিসে যোগাযোগ করেও কোন ফল পাচ্ছিনা। আমাদের ধারণা পল্লী বিদ্যুত অফিসের কর্মকর্তারা ৫কেভি ট্রান্সফর্মাটি মেরামতের নামে অফিসে নিয়ে গিয়ে অন্যত্র বিক্রি করে দিয়েছেন। এসময় শাহীন আলম (৪৬) দিলদার হোসেন (৪৮) সহ একাধিক গ্রাহক জানান, ট্রান্সফর্মাটি মেরামতের কথা বলে খুলে অফিসে নিয়ে যাওয়ার কয়েকদিন পর লাইনম্যান রাশেদকে ফোন দেওয়া হলে তিনি আমাদের কাছে কিছু টাকা পয়সা দাবী করেন। তার কথামত পরদিন অফিসে গিয়ে তার খোঁজ করেও তাকে পাওয়া য়ায়নি। অন্যদিকে ট্রান্সফর্মা খুলে নিয়ে যাওয়ার ১৫দিন অতিবাহিত হলেও তিনি আমাদের ট্রান্সফর্মা পুর্বের জায়গায় স্থাপন করে দেননি। যার ফলে আমরা গ্রামবাসী বিদ্যুত বিচ্ছিন্ন ভুতুড়ে অন্ধকারে অতিকষ্টে রাত্রী যাপন করছি। এমনকি প্রচন্ড গরমে মুসল্লিরা পবিত্র মাহে রমজানের তারাবীর নামাজ আদায় করছেন। পাশাপাশি বিদ্যুতের অভাবে বিদ্যুত চালিত সকল প্রকার যন্ত্রপাতি অকেজো হয়ে পড়ে আছে। 
বদরগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম শওকত হোসেনকে বার বার বিষয়টি জানানোর পরেও তিনি কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না। কারণ তিনি তার অফিসের কর্মচারীদের কাছ থেকে নিয়মিত মাসোহারা নিয়ে থাকেন।
এ বিষয়ে রংপুর পল্লী বিদ্যুত সমিতি-২ বদরগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম শওকত হোসেন বলেন, ট্রান্সফর্মাটি অকেজো হওয়ার ফলে অফিসে খুলে নিয়ে আসা হয়েছে। খুব শীঘ্রই একটি ট্রান্সফর্মা স্থাপন করে কুতুবপুর সোনারপাড়াবাসীর বিদ্যুত সমস্যা সমাধান করা হবে।