Home » » চিরিরবন্দরে ইট ভাটার কালো ধোঁয়ায় ১০ হাজার কলাগাছ বিনষ্ট

চিরিরবন্দরে ইট ভাটার কালো ধোঁয়ায় ১০ হাজার কলাগাছ বিনষ্ট

চিলাহাটি ওয়েব ডটকম News Editor : 10 May, 2017 | 12:29:00 AM

দেলোয়ার হোসেন বাদশা চিরিরবন্দর প্রতিনিধি,চিলাহাটি ওয়েব : দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার সাতনালা ইউনিয়নের ঘন্টাঘর বাজারের পূর্বদিক এসএমবি ইটভাটার কালো ধোঁয়ায় প্রায় ১০ হাজার কলাগাছসহ ১০ একর জমির বোরো ধান ভুট্টা, ফলদবৃক্ষ বিনষ্ট হয়েছে । কলা গাছ,বোরো ধান, ভুট্টা পুড়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা ক্ষতি পুরোনের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন ।অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, ওই এলাকার তমিজ উদ্দিন ১৫০ শতাংশ, মোজামেল হক ৫০ শতাংশ, কেরামত আলীর ১০০ শতাংশ, মফিজ উদ্দিন ৫০ শতাংশ, রশিদুল ইসলামের ২০ শতাংশ, জিয়ারুল হকের ১৫০ শতাংশ,জিকুরুর হক ৩০ শতাংশ,রিয়াজুল ইসলাম ৭৫ শতাংশ,মকবুল ৩০ শতাংশ,সাদ্দাম হক ৭৫ শতাংশ,বুলু রহমান ৫০ শতাংশ,যফুর ৩০ শতাংশ,হাবলু ১৫ শতাংশ,আব্দুল কাফি ৩০ শতাংশ,মকলেস ৫০ শতাংশ রাজ্জাক ৬০ শতাংশ,মহীমালি ৪৫ শতাংশ,এন্তাজুল ৪৫ শতাংশ,ফজলা ৪৫ শতাংশ,হানিফা ২০ শতাংশ,হালিম ২০ শতাংশ,খোকা ৫০ শতাংশ,কাবলী ২০ শতাংশ,আফজাল ৫০ শতাংশ,জসীম ৫০ শতাংশ জমি মিলে প্রায় ১০ হাজার কলাগাছ সহ ১০ একর জমির বোরো ধান,ভুট্টা সহ বেশ কিছু ফলদ বৃক্ষ গাছ বিনষ্ট হয়ে গেছে। প্রত্যক্ষ্যদর্শী কৃষক তমিছ উদ্দিন,মোজাম্মেল,মফিজউদ্দিন,জিয়ারুল হকসহ আরো অনেকে জানায়, গত বৃহস্পতিবার ইটভাটার ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় আশপাশের এলাকা। ধোঁয়ার কারনে কলা বাগানের এমন ক্ষতি হবে প্রথমে তারা বুঝতে পারেনি। কিন্তু পরে বুঝতে পেরে গত দুদিন ধরে দেখি কলাগাছের পাতা ধীরে ধীরে শুকিয়ে যাচ্ছে। তারা আরো জানান, কলা গাছ গুলোর বয়স হয়েছিলো ৯ মাস। আর তিন মাস পরেই কলা বাজার জাত করার উপযোগী হত। কিন্তু এখন গাছ ধীরে ধীরে শুকিয়ে যাওয়ায় তা আর সম্ভব হচ্ছে না। কলাগাছ গুলো ভালো থাকলে ১০ হাজার কলা গাছে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার কলা হত।চাষাবাদকৃত কলাগাছের এমন ক্ষতি হওয়ায় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগী মোজাম্মেল হক বলেন, ইটভাটার কালো ধোঁয়ায় প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি পুড়ে যাওয়া ফসলের ক্ষতি পূরণসহ জনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে ইটভাটা বন্ধের দাবি জানান। এসএমবি ইটভাটার মালিক সাইফুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মো: মাহমুদুল হাসান বলেন, আমরা ক্ষতিগস্ত মাঠ পরিদর্শন করেছি। তাৎক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। তবে কলা বাগানে ভাটার ধোঁয়ার কারনে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: গোলাম রব্বানী জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শেয়ার করুন :