Home » , , » চিলাহাটি থেকে ট্রেনেই যাওয়া যাবে ভারত-নেপাল-ভুটান

চিলাহাটি থেকে ট্রেনেই যাওয়া যাবে ভারত-নেপাল-ভুটান

আপেল বসুনীয়া, চিলাহাটি ওয়েব : আকাশ বা সড়কপথে নয়, বাংলাদেশ থেকে ট্রেনেই যাওয়া যাবে নেপাল ও ভুটানে।  
এ ক্ষেত্রে ভারতের ভূখন্ড ব্যবহার করবে বাংলাদেশি ট্রেন। উল্লিখিত চার দেশের মধ্যে সরাসরি রেল যোগাযোগ স্থাপনের এমন অভাবনীয় পদক্ষেপ বাস্তবায়নে বাড়ানো হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারতের রেলপথ। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কিছু নতুন রুট তৈরির। একই সঙ্গে বন্ধ হয়ে যাওয়া কয়েকটি রুট চালুরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে ট্রেনে করে যাত্রী এবং পণ্যপরিবহন সহজ ও সাশ্রয়ী হবে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মকর্তারা।
তারা জানান, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশের রেল যোগাযোগ চালুর লক্ষ্যে নীলফামারীর চিলাহাটি থেকে ভারতের সীমান্ত পর্যন্ত রেলপথ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। গতকাল রোববার এ সংক্রান্ত নথি পাঠানো হয়েছে রেলওয়ের মহাপরিচালকের দপ্তরে। পরে এ প্রকল্পের ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল (ডিপিপি) অনুমোদনের জন্য রেল মন্ত্রণালয় পাঠাবে পরিকল্পনা কমিশনে।
জানা গেছে, এর আগে চিলাহাটি থেকে ভারতের সীমান্ত পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করেছে রেলওয়ে। এই পথের দৈর্ঘ্য হবে ৭ কিলোমিটার। বাংলাদেশ অংশের ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৮ কোটি ১২ লাখ টাকা। সরকারি অর্থায়নে এ রেলপথ নির্মাণ প্রস্তাব এরই মধ্যে চূড়ান্ত করেছে রেলওয়ে।
ভারত তার অংশের সীমান্ত থেকে হলদিবাড়ি পর্যন্ত রেলপথ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। পথটি হবে সাড়ে ৪ কিলোমিটার। এ জন্য দেশটির পরিত্যক্ত মিটার গেজ রেলপথ ব্রডগেজে রূপান্তর করা হবে। উভয় পাশে রেলপথ নির্মাণ সম্পন্ন হলে চিলাহাটি থেকে হলদিবাড়ি স্টেশন হয়ে ভুটানের সীমান্তবর্তী জলপাইগুড়ির হাসিমারা স্টেশন পর্যন্ত ট্রেন চলবে।
একইভাবে হলদিবাড়ি থেকে নেপালের সীমান্তবর্তী বিহার রাজ্যের জগবানি স্টেশন পর্যন্ত ট্রেন চালু করা যাবে। ওই দুই স্টেশন থেকে সড়কপথে ভুটান ও নেপালে পণ্যপরিবহন সহজ হবে। এ ছাড়া জগবানি থেকে নেপালের ভেতর ২০ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সূত্রমতে, হলদিবাড়ি রেলস্টেশন থেকে ভারতের হাসিমারা স্টেশনের দূরত্ব ১৮২ কিলোমিটার। ট্রেনে যাতায়াতে সময় লাগবে সর্বোচ্চ তিন ঘণ্টা। অন্যদিকে হলদিবাড়ি থেকে জগবানি স্টেশনের দূরত্ব ৪০ কিলোমিটার। এ কারণে সময় লাগবে এক ঘণ্টারও কম।
শেয়ার করুন :